লিখিত প্রস্তুতির মৌলিক কাজ, পেপার পঠন ও কাটিং , ম্যাপিং ও কোটেশন এবং বিজ্ঞানে ভালো করার নির্দেশনা :
১.রিটেনের জন্য কিছু কাজ
==============
১.রিটেনের প্রিপারেশন যেহেতু প্রিলির চেয়ে অনেকটাই আলাদা,সেহেতু কিছু কাজ এখন থেকেই শুরু করা উচিত।
২.প্রতিদিন একটি বাংলা পত্রিকা এবং একটি ইংরেজি পত্রিকা দেখতে থাকুন।অনলাইন ভার্সন হলেও সমস্যা নেই।পত্রিকা পড়ার সময় হাতের কাছে কাগজ-কলম রাখবেন।
৩.অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৭ সংগ্রহ করে ফেলুন।
৪.একটি ম্যাপের বই কিনে ফেলুন।
৫.পেপার কাটিং এর অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৬.হাতের কাছে নেট কানেকশন রাখুন।টপিক অনুসারে তথ্য সংগ্রহ করতে গুগলের সহয়তা নিন।
৭.কিছু নোটখাতা রেডি রাখুন,তথ্য সংগ্রহ করে রাখার জন্য।
৮.কিছু বেসিক বই কালেকশন করে রাখুন।
৯.কোন বিষয়ের জন্য কোন প্রকাশনের বই ভাল,সে বিষয়ে খোজ নিন।
১০.ইংরেজি পত্রিকা পড়ে তার বাংলা অনুবাদ করার চেষ্টা করুন।
১১.সংবিধানের বিশ্লেষণ বিষয়ক বই সংগ্রহে রাখুন।
১২.সম্পাদকীয় পরিক্রমা জাতীয় বই,যেখানে প্রতি মাসের গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদকীয় থাকে।এই জাতীয় বই সংগ্রহে রাখুন।
১৩.পড়ার রুটিন তৈরি করে ফেলুন।
১৪.বিজ্ঞানের জন্য ৯ম-১০ম শ্রেণির বেসিক বিজ্ঞান বই এবং কম্পিউটার অংশের জন্য একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির কম্পিউটার বই সংগ্রহে রাখুন।
১৫.যেহেতু,এখনো নতুন বই বের হয় নি,সেহেতু পুরাতন গাইড বই সংগ্রহ করে প্রশ্নের ধারা সম্পর্কে ধারনা নিতে পারেন।
১৬.ভাল ক্যাডার পেতে হলে অবশ্যই ভাল নাম্বার পেতে হবে।এই মানসিকতা নিয়ে যতটা সম্ভব নিজের প্রস্তুতিকে ক্রিয়েটিভ করার জন্য কঠোর পরিশ্রম শুরু করুন।
==========
২.লিখিত পরীক্ষায় "ম্যাপ" ম্যাপিং
১.ম্যাপ বলতে আমরা সাধারণত ভৌগলিক অবস্থানগত ম্যাপকে বুঝিয়ে থাকি।
কিন্তু শুধু ভৌগলিক নয়,অর্থনৈতিক,রাজনৈতিক এমনকি যুদ্ধকালীন সামরিক অবস্থান প্রকাশ করতে ম্যাপ ব্যবহার করা যায়।
কিন্তু শুধু ভৌগলিক নয়,অর্থনৈতিক,রাজনৈতিক এমনকি যুদ্ধকালীন সামরিক অবস্থান প্রকাশ করতে ম্যাপ ব্যবহার করা যায়।
২.ছোট একটা উদাহরণ,সিরিয়া সংকট নিয়ে প্রশ্ন আসলে আপনি আসাদ-বাহিনী ও বিদ্রোহী বাহিনীর দখলকৃত অঞ্চলকে সিরিয়ার ম্যাপে চিহ্নিত করে দিতে পারবেন।
৩.এছাড়া বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ,পর্যটন কেন্দ্রসমূহের অবস্থান,পাহাড়ি এলাকা,বনভূমির পরিমান,বিদুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা,গ্যাসে ক্ষেত্রসমূহের অবস্থানসহ আরো অনেক জাতীয় বিষয়সমূহকে বাংলাদেশের ম্যাপে চিহ্নিত করে দিতে পারবেন।
৪.এছাড়া বাংলাদেশের সাথে পাশের দেশসমূহের অবস্থান,ছিটমহল,করিডোর,র্যাডক্লিফ লাইনসহ অন্যান্য সীমানা চিহ্নিতকারী লাইনের অবস্থান চিহ্নিত করার সুযোগ লিখিত পরীক্ষায় পাবেন।সিউর।
কারন,এই সংশ্লিষ্ট অনেক প্রশ্ন লিখিত পরীক্ষায় থাকে।
কারন,এই সংশ্লিষ্ট অনেক প্রশ্ন লিখিত পরীক্ষায় থাকে।
৫.সামুদ্রিক সম্পদ কিংবা ভারত ও মায়ানমারের সাথে সমুদ্র বিজয় সংক্রান্ত ইস্যু বা এই বিষয়ক প্রশ্নেও সামুদ্রিক অবস্থানগত ম্যাপ প্রয়োগ করা যায়।
৬.এছাড়া বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু যেমন:ফিলিস্তিন-ইসরাইলের অবস্থানগত পরিচয় কিংবা ইসরাইলের দখলকৃত অংশকে চিহ্নিত করার জন্য ও ম্যাপ ব্যাবহার করতে পারেন।সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্য এর দেশসমূহের অবস্থানগত ম্যাপ আয়ত্বে রাখা উচিত।
৭.এখন প্রশ্ন,এই ম্যাপগুলো কোথায় পাবেন?
লাইব্রেরিগুলোতে ম্যাপ সংক্রান্ত অনেক বই পাবেন।মাঝেমধ্যে পত্রিকাতেও বিভিন্ন বিষয়ের ম্যাপ পেয়ে যাবেন।
লাইব্রেরিগুলোতে ম্যাপ সংক্রান্ত অনেক বই পাবেন।মাঝেমধ্যে পত্রিকাতেও বিভিন্ন বিষয়ের ম্যাপ পেয়ে যাবেন।
৮.এছাড়া ইন্টারনেটে theatlas.com,
worldatlas.com,
nationalgeographic.com এ বিভিন্ন বিষয়ের ম্যাপ পেয়ে যাবেন।
worldatlas.com,
nationalgeographic.com এ বিভিন্ন বিষয়ের ম্যাপ পেয়ে যাবেন।
৯.ভালভাবে সঠিক স্থানে সঠিক ম্যাপ প্রয়োগ করতে পারলে খাতার সৌন্দর্য্য ও লিখিত পরীক্ষায় নাম্বার দুইটাই বৃদ্ধি পাবে,ইনশাআল্লাহ।
৩."কোটেশন কালেকশন"
==============
১.যেকোন লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে উত্তরপত্রের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও অধিক নাম্বার পাওয়ার ক্ষেত্রে "কোটেশন" এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী।আপনি উত্তর শুরুই করতে পারেন একটা কোটেশন দিয়ে।আবার উত্তরের মাঝে কিংবা শেষে সুবিধামতো ভাল কোটেশন ব্যবহার করতে পারলে নাম্বার বেশি পাবেন এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়।
২.এখন কাজের কথায় আসি।প্রথমেই একটা ছোটখাটো নোট খাতা বানিয়ে ফেলুন কোটেশন কালেকশন এর জন্য।
৩.এবার নোটখাতায় ৪০/৫০ টা গুরুত্বপূর্ণ টপিকস(যে টপিকস গুলো থেকে বিসিএস বা অন্যান্য পরীক্ষায় আসে) এর জন্য আলাদা আলাদা পৃষ্ঠা নির্ধারন করে রাখুন।
৪.এখন আপনার কাজ যেখানেই গুরুত্বপূর্ণ কোটেশন পাবেন,সেগুলো টপিকস অনুসারে নোট খাতায় উঠানো।
৫.কোটেশন এর অন্যতম উৎস কোটেশনের ওয়েবসাইটগুলো।যেমন:Brainyqoute.com, quotery.com,
Worldofquote.com ইত্যাদি।
Worldofquote.com ইত্যাদি।
৬.এছাড়া পত্রিকাতে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি,অর্থনীতিবিদ,বিশ্বনেতৃবৃন্দ,বৈজ্ঞানিকের গুরুত্বপূর্ণ উক্তি পেলে টপিকস অনুসারে নোট খাতায় তুলে ফেলবেন।
৭.এছাড়া বিভিন্ন কবি,সাহিত্যিকের উপন্যাস,গল্প,কবিতার অংশ নোট করে রাখতে পারেন।
৮.আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর ক্ষেত্রে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক,অর্থৈনিতিক বা অন্যান্য বিষয়ের বিশ্লেষকদের নাম সহ উক্তি সংগ্রহ করে রাখতে পারেন।
৯.সবচেয়ে বড় ব্যাপার,উত্তরপত্রে এই কোটেশনগুলো সঠিকভাবে সঠিক স্থানে ব্যাবহার করা।এ ক্ষেত্রে কোটেশন টা কার এবং কোটেশন এর উৎসটা ব্যবহার করা উচিত।
সঠিকভাবে কোটেশন সংগ্রহ এবং উত্তরপত্রে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে ভাল নম্বর আশা করা যায় ইনশাআল্লাহ।
শুভকামনা রইলো।
////
৪.পেপার কাটিং
শুভকামনা রইলো।
////
৪.পেপার কাটিং
বিসিএসের রিটেনের জন্য পেপার কাটিং বিষয়টা সলিড ইনফরমেশনের একটি বড় উৎস।এছাড়া নোট প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও এটা অনেক কাজে দিবে।
১.প্রথমত চিন্তা করে বের করুন,রিসেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী এবং ফিক্সড বিষয়গুলি যেখান থেকে সাধারণত প্রশ্ন আসে।
২.আপনার বাছাইকৃত টপিকস বিষয়ক কোন নিউজ পেলে কেটে রাখুন।
৩.পরবর্তীতে একই টপিকের কোন নিউজ পেলে পুনরায় নিউজের অংশটুকু কেটে আগের কাটিং এর সাথে রেখে দিন।
৪.এইভাবে টপিকস অনুসারে নিউজগুলো আলাদা আলাদা করে রাখুন।
৫.পেপার কাটিংগুলো টপিকস অনুসারে স্ট্যাপিং করে,ফাইলে বা নোট খাতায় পিন-আপ করে রাখতে পারেন।
৬.এছাড়া নোট খাতা তৈরির ক্ষেত্রেও পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ থেকে তথ্য টপিকস অনুসারে নোট খাতায় তুলে রাখতে পারেন।
৭.যেকোন তথ্য রাখার ক্ষেত্রে বা পেপার কাটিং এ অবশ্যই পত্রিকার নাম,প্রকাশের তারিখ লিখে রাখবেন।
৮.এছাড়া পত্রিকায় প্রকাশিত গ্রাফ,চার্ট বা বিখ্যাত ব্যাক্তিত্বের উক্তি নোট খাতায় তুলে রাখবেন।
৯.একটি বাংলা পত্রিকা এবং একটি ইংরেজি পত্রিকা ফলো করার চেষ্টা করবেন।
১০.রিটেনের আগে পর্যন্ত রিটেনের আসার মতো নিউজগুলোকেই শুধু গুরুত্ব দিন।অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলোকে স্কিপ করুন।
৫.বিসিএস এর জন্য পত্রিকা পঠন
============
১.পত্রিকায় বেশি সময় দেওয়ার প্রয়োজন নেই।পত্রিকা পড়ার উদ্দেশ্যই যেন হয় তথ্য আহরণ করা।
২.বিসিএস এ আসার মতো ৩০/৪০ টি টপিকস আলাদা করে নোট খাতায় প্রতিটি টপিকের জন্য কয়েকটা করে পৃষ্ঠা নির্ধারন করে রাখুন।
৩.এবার পত্রিকা পড়ার সময় যেকোন ডাটা,চার্ট,ম্যাপ,কোটেশন সর্বোপরি যেকোন তথ্য পেলেই টপিক অনুযায়ী নোট খাতায় তুলে ফেলবেন।
৪.এছাড়া পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশকে কেটেও টপিক অনুযায়ী নোট খাতায় স্ট্যাপলিং করে রাখতে পারেন।
৫.পত্রিকা থেকে প্রাপ্ত তথ্য পরীক্ষার খাতায় ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অবশ্যই পত্রিকার নাম এবং প্রকাশের তারিখ ব্যবহার করবেন।
যেমন:একটা তথ্য দেওয়ার পর লিখবেন,
সূত্র:প্রথম আলো,২৬ নভেম্বর,২০১৭।
যেমন:একটা তথ্য দেওয়ার পর লিখবেন,
সূত্র:প্রথম আলো,২৬ নভেম্বর,২০১৭।
পত্রিকার তথ্য সূত্র ও তারিখসহ লিখতে পারলে অনেক ভাল নাম্বার পাওয়া সম্ভব।
গাইড বইয়ের উপর নির্ভরতা কমান।
গাইড বইয়ের উপর নির্ভরতা কমান।
৬.লিখিত আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
================
১.আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে ভাল নাম্বার পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পৃথিবীর ম্যাপ সম্পর্কে খুব ভাল ধারনা রাখা।
২.যেকোন দেশের কোন ইস্যু কিংবা ভৌগলিক অবস্থা অথবা যুদ্ধ পরিস্থিতি বর্ণনা করার ক্ষেত্রে আপনি একটা অবস্থানগত চিত্র তুলে ধরতেই পারেন।
৩.আন্তজার্তিক রাজনীতি,অর্থনীতি কিংবা সামরিক বিশ্লেষকদের নাম ও তাদের লেখা সম্পর্কে ধারনা রাখা ভাল নাম্বার পাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।
৪.আন্তজার্তিক বিশ্লেষকদের উক্তি কিংবা তাদের গুরুত্বপূর্ণ বই বা প্রবন্ধের নাম ব্যবহার করা যেতে পারে।
৫.যেকোন একটি বাংলা পত্রিকা এবং একটি ইংরেজি পত্রিকার আন্তর্জাতিক পাতা ফলো করা উচিত।
৬.সেই সাথে গুরুত্বপূর্ণ টপিকসগুলোর পেপার কাটিং আলাদা আলাদা করে সংগ্রহ করে রাখলে গাইড বই পড়ার চেয়ে অনেক বেশি কাজে লাগবে।
৭.আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর ক্ষেত্রে আর একটি বিষয় খুব কাজে লাগে লাগতে পারে,সেটা হচ্ছে হাতের কাছে নেট কানেকশন রাখা।
৮.আপনি ইচ্ছা করলেই যেকোন টপিক এর উপর অসংখ্য গবেষনাপত্রের পিডিএফ ফাইল পেয়ে যাবেন।এখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ আপনি সূত্রসহ সংগ্রহে রাখতে পারবেন।
৯.পত্রিকা বা অন্য মাধ্যম থেকে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে অবশ্যই হাতের কাছে কাগজ-কলম রাখবেন,প্রয়োজনীয় অংশ টুকে রাখার জন্য।
১০.কয়েকটা নোট খাতা তৈরি করে ফেলুন এবং টপিক ওয়াইজ তথ্য নোট খাতায় তুলে ফেলুন।
১১.কিছু টপিকস আছে স্থায়ী আবার কিছু আছে রিসেন্ট ইস্যু।টপিকস সিলেক্ট করাও গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।
১২.বাজারের গাইড হাতের কাছে রাখবেন প্রশ্ন সম্পর্কে ধারনা পাওয়ার জন্য।এছাড়া আন্তজার্তিক বিষয়াবলীর উপর লেখা ভাল লেখকের একটা বইও হাতের কাছে রাখতে পারেন।
.
৭.লিখিত বিজ্ঞানে গাইড বইয়ের উপর নির্ভরতা কমান
৭.লিখিত বিজ্ঞানে গাইড বইয়ের উপর নির্ভরতা কমান
============
১.লিখিত বিজ্ঞানের জন্য একটা গাইড কিনতে পারেন।কিন্তু গাইড বইয়ের প্রিপারেশনই শেষ নয়।
২.শুধুমাত্র গাইড বই পড়ে পরীক্ষা দিলে,পাস করবেন।কিন্তু ভাল নম্বর আসবে না।
৩.অধিকাংশ গাইড বইয়ের চ্যাপ্টার দেখলেই বুঝতে পারবেন,গাইডগুলোতে পর্যাপ্ত বিজ্ঞানের ছোয়া নেই।
৪.চিত্র,ইকুয়েশন,গ্রাফসহ বিজ্ঞানের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়াবলীর যথেষ্ট অভাব আছে এই গাইডগুলোতে।
৫.এখন করণীয় কি?
কিছু বই সংগ্রহ করুন।
ক.৮ম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান বই।
খ.৯ম-১০ম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান বই।
গ.৯ম-১০ম শ্রেণির পদার্থ,রসায়ন,জীববিজ্ঞান বই।
ঘ.একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির কম্পিউটার বই।
এছাড়া বিজ্ঞানের তথ্যকে সমৃদ্ধ করার জন্য আপনার পছন্দনীয় অন্য যেকোন বই।
খ.৯ম-১০ম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান বই।
গ.৯ম-১০ম শ্রেণির পদার্থ,রসায়ন,জীববিজ্ঞান বই।
ঘ.একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির কম্পিউটার বই।
এছাড়া বিজ্ঞানের তথ্যকে সমৃদ্ধ করার জন্য আপনার পছন্দনীয় অন্য যেকোন বই।
৫.এবার লিখিত বিজ্ঞানের সিলেবাস দেখে এবং গাইড বই থেকে প্রশ্ন সম্পর্কে ধারনা নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রশ্নোত্তরে চিত্র,ইকুয়েশন অথবা যা লাগে তা উত্তরের সাথে এড করে প্রশ্নোত্তরকে সমৃদ্ধ করুন।
৬.একটা নোট খাতা রাখতে পারেন।যেখানে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর নোট করে রাখতে পারেন।
যথাযথ পরিকল্পনা মাফিক পড়লে বিজ্ঞানে সর্বোচ্চ নাম্বারই পাওয়া সম্ভব।
আল্লাহ্ তায়ালা সহায় হোন।
No comments:
Post a Comment