#সংবিধানঃ কোন দেশের সর্বোচ্চ আইন বা মৌলিক আইনকেই সংবিধান বলে। এরিস্টটলের মতে, " Constitution is
the way of life the state has chosen for itself "
#প্রকারভেদঃ
২ প্রকার ( লিখিত এবং অলিখিত )
vলিখিত সংবিধান আছে এমন দেশ হল বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান ইত্যাদি
vঅলিখিত সংবিধান আছে এমন দেশ ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড, স্পেন, ইসরেল, সৌদিআরব। মনে রাখার ট্যাবলেট হল-
"ব্রিটনি স্পাই "
ব্রিট= ব্রিটেন
নি=নিউজিল্যান্ড
স্পা = স্পেন, সৌদিআরব
ই= ইসরাইল
২ প্রকার ( লিখিত এবং অলিখিত )
vলিখিত সংবিধান আছে এমন দেশ হল বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান ইত্যাদি
vঅলিখিত সংবিধান আছে এমন দেশ ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড, স্পেন, ইসরেল, সৌদিআরব। মনে রাখার ট্যাবলেট হল-
"ব্রিটনি স্পাই "
ব্রিট= ব্রিটেন
নি=নিউজিল্যান্ড
স্পা = স্পেন, সৌদিআরব
ই= ইসরাইল
#পৃথিবীতে_সংবিধানের_তথ্যঃ
vসব চেয়ে প্রাচীন এবং ছোট সংবিধান, প্রথম লিখিত সংবিধান - যুক্তরাষ্ট্র।
vসব চেয়ে বড় সংবিধান - ভারত।
vবাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে অনুসরণ করা হয়- ভারত এবং ব্রিটেনের সংবিধানকে।
vসব চেয়ে প্রাচীন এবং ছোট সংবিধান, প্রথম লিখিত সংবিধান - যুক্তরাষ্ট্র।
vসব চেয়ে বড় সংবিধান - ভারত।
vবাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে অনুসরণ করা হয়- ভারত এবং ব্রিটেনের সংবিধানকে।
#বাংলাদেশের_অন্তর্বর্তীকালীন_সংবিধানঃ
vঅন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান- অস্থায়ী সাংবিধানিক আদেশ জারি করা হয় ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে। তখন থেকে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সাল পর্যন্ত সময়কে অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান বলে ধরা হয়।
vপৃথিবীর ইতিহাসে অন্তর্বর্তী সংবিধান দুটি জাতির ক্ষেত্রে প্রয়োজ্য - বাংলাদেশ & যুক্তরাষ্ট
vবাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা সনদের রচয়িতা - ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
vঅন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান- অস্থায়ী সাংবিধানিক আদেশ জারি করা হয় ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে। তখন থেকে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সাল পর্যন্ত সময়কে অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান বলে ধরা হয়।
vপৃথিবীর ইতিহাসে অন্তর্বর্তী সংবিধান দুটি জাতির ক্ষেত্রে প্রয়োজ্য - বাংলাদেশ & যুক্তরাষ্ট
vবাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা সনদের রচয়িতা - ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
#তথ্য_কণিকাঃ
-----------------
vপ্রথম অস্থায়ী সাংবিধানিক আদেশ জারি করেন কে? কত তারিখে? - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
vগণপরিষদ আদেশ জারি করেন কে? কবে? - আবু সাইদ চৌধুরী & ১৯৭২ সালে ২৩ মার্চ
vগণপরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল? - ৪০৩ জন
-১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদ সদস্য ছিল ১৬৯ জন এবং প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ছিল ৩০০ জন। মোট সদস্য ৪৬৯ জন। এর মধ্য সদস্য পদ হারায় ৬৬ জন। বাকি ৪০৩ জন নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়।
vগণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে? - ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
vগণপরিষদের সভাপতি ছিলেন কে? - মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ
vগণপরিষদের স্পিকার & ডেপুটি স্পিকারের নাম? - শাহ আবদুল হামিদ ( স্পিকার) & মোহম্মদ উল্লাহ ( ডেপুটি স্পিকার)
vসংবিধান প্রণয়ন কমিটিঃ
- গঠিত - ১১ এপ্রিল ১৯৭২
- সদস্য- ৩৪
- আওয়ামীলীগ সদস্য-৩৩
- বিরোধী দলীয় সদস্য- ১ ( সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত)
-মহিলা সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু
vগণপরিষদে সংবিধানঃ
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২( প্রথম উত্থাপন)
- ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ ( গৃহীত & সংবিধান দিবস)
বাংলাতে এইদিন কার্তিক মাসের ১৮ তারিখ
- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ ( স্বাক্ষর)
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ ( কার্যকর)
-----------------
vপ্রথম অস্থায়ী সাংবিধানিক আদেশ জারি করেন কে? কত তারিখে? - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
vগণপরিষদ আদেশ জারি করেন কে? কবে? - আবু সাইদ চৌধুরী & ১৯৭২ সালে ২৩ মার্চ
vগণপরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল? - ৪০৩ জন
-১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদ সদস্য ছিল ১৬৯ জন এবং প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ছিল ৩০০ জন। মোট সদস্য ৪৬৯ জন। এর মধ্য সদস্য পদ হারায় ৬৬ জন। বাকি ৪০৩ জন নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়।
vগণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে? - ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
vগণপরিষদের সভাপতি ছিলেন কে? - মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ
vগণপরিষদের স্পিকার & ডেপুটি স্পিকারের নাম? - শাহ আবদুল হামিদ ( স্পিকার) & মোহম্মদ উল্লাহ ( ডেপুটি স্পিকার)
vসংবিধান প্রণয়ন কমিটিঃ
- গঠিত - ১১ এপ্রিল ১৯৭২
- সদস্য- ৩৪
- আওয়ামীলীগ সদস্য-৩৩
- বিরোধী দলীয় সদস্য- ১ ( সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত)
-মহিলা সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু
vগণপরিষদে সংবিধানঃ
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২( প্রথম উত্থাপন)
- ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ ( গৃহীত & সংবিধান দিবস)
বাংলাতে এইদিন কার্তিক মাসের ১৮ তারিখ
- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ ( স্বাক্ষর)
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ ( কার্যকর)
- ১ (বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনা ১টি, সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে ১ জন বিরোধীদলীয় ন্যাপ সদস্য ছিল তিনি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে ১ জন মহিলা সদস্য ছিল তিনি বেগম রাজিয়া বানু)
-২ (বাংলাদেশের সংবিধানের ভাষা ২ টি - ইংরেজি & বাংলা। এখানে উল্লেখ যে, সংসদ অধিবেশনের সকল রেকর্ড বাংলাতে সংরক্ষণ করা হয়)
-৪ (৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়, সংবিধান দিবস ৪ নভেম্বর, সংবিধানে ৪ টি মূলনীতি বিদ্যমান)
-৫ (৫ নং তফসিলে আছে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ)
-৬ (৬ নং তফসিলে আছে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা)
-৭ (৭ নং তফসিলে আছে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র , সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল আছে, রাষ্ট্রপতি যদি কোন বিল পুনরায় সংসদে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রেরণ করে এবং তারা ফেরত আনার ৭ দিনের মধ্যে পাস করতে হবে)
-১০ (১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়,
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১০ এপ্রিল, ১৯৭২)
-১১ (১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারিতে শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধানিক আদেশ জারি করেন, ১৯৭২ সালে ১১ এপ্রিল তারিখে সাংবিধানিক কমিটি গঠিত হয়, সমগ্র সংবিধান ১১ টি ভাগে বিভক্ত)
-১২ (১২ অক্টোবর, ১৯৭২ গণপরিষদে প্রথম খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয়। গণপরিষদের ২য় অধিবেশন বসে। সংবিধানের মোট বৈশিষ্ট্য ১২ টি)
-১৪ (১৯৭২ সালে, ১৪ ডিসেম্বরে হস্তলিখিত সংবিধানে গণপরিষদের সদস্যরা স্বাক্ষর করেন)
-১৫ (রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল উত্থাপনের পর ১৫ দিনের মধ্যে পাস করতে হবে)
-১৬ (১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে সংবিধান কার্যকর হয়। সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে ১৬ বার)
-১৭(মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, মুজিবনগর দিবস ১৭ এপ্রিল)
-১৮ (বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে সংবিধান গৃহীত হয় কার্তিক মাসের ১৮ তারিখে। সংবিধান অনুসারে ভোটার হওয়ার যোগ্যতা ১৮ বছর)
-২৩ (আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালে ২৩ মার্চ তারিখে গণপরিষদ আদেশ জারি করেন যা ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে কার্যকরী বলে ঘোষিত হয়)
-২৫ (নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স)
-২৬ (গণপরিষদ আদেশ ২৬ মার্চ, ১৯৭১ থেকে কার্যকরী বলে ঘোষিত হয়,
-৩০ (সংবিধান অনুসারে সাধারণ নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অধিবেশন আহবান করতে হবে)
-৩৩ (সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে আওয়ামীলীগ সদস্য ৩৩ জন)
-৩৪ (সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে সদস্য সংখ্যা ছিল ৩৪ জন)
-৩৫ (রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স। উল্লেখ যে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাতে আসামী ছিল ৩৫ জন )
-৬০ (সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠক ৬০ দিনের মধ্যে হতে হবে)
-৬২ (বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বোচ্চ বয়স সীমা ৬২ বছর)
-৬৫ (পি এস সি চেয়ারম্যানের অবসরের বয়স ৬৫ বছর)
-৬৭ (বিচারপতিদের বয়স অবসরের ৬৭ বছর)
-৯০ (স্পিকারের অনুমিত ব্যতীত ৯০ দিনের বেশি কোন সংসদ সদস্য অনুপস্থিত থাকতে পারবে না। সংসদ ভেংগে গেলে / সংসদ সদস্যের পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের নির্বাচন দিতে হবে)
-৯৩ (হস্তলিখিত সংবিধানের মোট পাতা ৯৩ টি)
-১২০ (সংবিধানে জরুরী অবস্থার মেয়াদ ১২০ দিন)
-১৫৩ (সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ ১৫৩ টি)
-৩০৯ (সংবিধানে স্বাক্ষর করেন ৩০৯ জন সদস্য)
-৪০৩ (গণপরিষদের সদস্য ছিল ৪০৩ জন)
-২ (বাংলাদেশের সংবিধানের ভাষা ২ টি - ইংরেজি & বাংলা। এখানে উল্লেখ যে, সংসদ অধিবেশনের সকল রেকর্ড বাংলাতে সংরক্ষণ করা হয়)
-৪ (৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়, সংবিধান দিবস ৪ নভেম্বর, সংবিধানে ৪ টি মূলনীতি বিদ্যমান)
-৫ (৫ নং তফসিলে আছে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ)
-৬ (৬ নং তফসিলে আছে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা)
-৭ (৭ নং তফসিলে আছে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র , সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল আছে, রাষ্ট্রপতি যদি কোন বিল পুনরায় সংসদে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রেরণ করে এবং তারা ফেরত আনার ৭ দিনের মধ্যে পাস করতে হবে)
-১০ (১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়,
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১০ এপ্রিল, ১৯৭২)
-১১ (১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারিতে শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধানিক আদেশ জারি করেন, ১৯৭২ সালে ১১ এপ্রিল তারিখে সাংবিধানিক কমিটি গঠিত হয়, সমগ্র সংবিধান ১১ টি ভাগে বিভক্ত)
-১২ (১২ অক্টোবর, ১৯৭২ গণপরিষদে প্রথম খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয়। গণপরিষদের ২য় অধিবেশন বসে। সংবিধানের মোট বৈশিষ্ট্য ১২ টি)
-১৪ (১৯৭২ সালে, ১৪ ডিসেম্বরে হস্তলিখিত সংবিধানে গণপরিষদের সদস্যরা স্বাক্ষর করেন)
-১৫ (রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল উত্থাপনের পর ১৫ দিনের মধ্যে পাস করতে হবে)
-১৬ (১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে সংবিধান কার্যকর হয়। সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে ১৬ বার)
-১৭(মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, মুজিবনগর দিবস ১৭ এপ্রিল)
-১৮ (বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে সংবিধান গৃহীত হয় কার্তিক মাসের ১৮ তারিখে। সংবিধান অনুসারে ভোটার হওয়ার যোগ্যতা ১৮ বছর)
-২৩ (আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালে ২৩ মার্চ তারিখে গণপরিষদ আদেশ জারি করেন যা ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে কার্যকরী বলে ঘোষিত হয়)
-২৫ (নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স)
-২৬ (গণপরিষদ আদেশ ২৬ মার্চ, ১৯৭১ থেকে কার্যকরী বলে ঘোষিত হয়,
-৩০ (সংবিধান অনুসারে সাধারণ নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অধিবেশন আহবান করতে হবে)
-৩৩ (সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে আওয়ামীলীগ সদস্য ৩৩ জন)
-৩৪ (সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে সদস্য সংখ্যা ছিল ৩৪ জন)
-৩৫ (রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স। উল্লেখ যে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাতে আসামী ছিল ৩৫ জন )
-৬০ (সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠক ৬০ দিনের মধ্যে হতে হবে)
-৬২ (বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বোচ্চ বয়স সীমা ৬২ বছর)
-৬৫ (পি এস সি চেয়ারম্যানের অবসরের বয়স ৬৫ বছর)
-৬৭ (বিচারপতিদের বয়স অবসরের ৬৭ বছর)
-৯০ (স্পিকারের অনুমিত ব্যতীত ৯০ দিনের বেশি কোন সংসদ সদস্য অনুপস্থিত থাকতে পারবে না। সংসদ ভেংগে গেলে / সংসদ সদস্যের পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের নির্বাচন দিতে হবে)
-৯৩ (হস্তলিখিত সংবিধানের মোট পাতা ৯৩ টি)
-১২০ (সংবিধানে জরুরী অবস্থার মেয়াদ ১২০ দিন)
-১৫৩ (সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ ১৫৩ টি)
-৩০৯ (সংবিধানে স্বাক্ষর করেন ৩০৯ জন সদস্য)
-৪০৩ (গণপরিষদের সদস্য ছিল ৪০৩ জন)
#সংবিধানের_প্রথম_ভাগ (প্রজাতন্ত্র)
-------------------------------------
অনুচ্ছেদ ০১ : প্রজাতন্ত্র ( বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামে পরিচিত হইবে)
অনুচ্ছেদ ০২: প্রজানন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা ।
-০২(ক) : রাষ্ট্রধর্ম ( প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন)
অনুচ্ছেদ ০৩: রাষ্ট্রভাষা ( প্রজানন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা)
অনুচ্ছেদ ০৪ :
- ৪(১)= প্রজানন্ত্রের জাতীয় সংগীত " আমার সোনার বাংলা"র প্রথম ১০ চরণ ।
- ৪(২)= প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ কক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
- ৪(৩) = প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যের শীর্ষ বেষ্টিত, পয়ানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর সংযুক্তপত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা।
- ৪(ক) = জাতির পিতার প্রতিকৃত
অনুচ্ছেদ ০৫: রাজধানী
অনুচ্ছেদ ০৬: নাগরিকত্ব
- ৬(১)= বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙ্গালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।
অনুচ্ছেদ ০৭: সাংবিধানিক প্রাধান্য
- ৭(১)= প্রজানন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ ।
-৭(ক)= সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ ইত্যাদি অপরাধ
-৭(খ) = সংবিধানের মৌলিক বিষয়াবলী সংশোধনের অযোগ্য
-------------------------------------
অনুচ্ছেদ ০১ : প্রজাতন্ত্র ( বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামে পরিচিত হইবে)
অনুচ্ছেদ ০২: প্রজানন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা ।
-০২(ক) : রাষ্ট্রধর্ম ( প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন)
অনুচ্ছেদ ০৩: রাষ্ট্রভাষা ( প্রজানন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা)
অনুচ্ছেদ ০৪ :
- ৪(১)= প্রজানন্ত্রের জাতীয় সংগীত " আমার সোনার বাংলা"র প্রথম ১০ চরণ ।
- ৪(২)= প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ কক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
- ৪(৩) = প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যের শীর্ষ বেষ্টিত, পয়ানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর সংযুক্তপত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা।
- ৪(ক) = জাতির পিতার প্রতিকৃত
অনুচ্ছেদ ০৫: রাজধানী
অনুচ্ছেদ ০৬: নাগরিকত্ব
- ৬(১)= বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙ্গালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।
অনুচ্ছেদ ০৭: সাংবিধানিক প্রাধান্য
- ৭(১)= প্রজানন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ ।
-৭(ক)= সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ ইত্যাদি অপরাধ
-৭(খ) = সংবিধানের মৌলিক বিষয়াবলী সংশোধনের অযোগ্য
#কিছু_তথ্য ( প্রথম ভাগের )
¶সংগীতঃ [ অনুচ্ছেদ – ৪(১) ]
- ১০ চরণ নেওয়া হয়েছে ( যদিও মূল সংগীত ২৫ লাইনের)
- রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ৪ চরণ বাজানো হয়
- প্রথম গৃহীত হয় ৩ মার্চ ১৯৭১ সালে
- সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
- প্রথম প্রকাশিত হয় বংদর্শন পত্রিকাতে
- ইংরেজি অনুবাদক আলী আহসান
- গীতবিতান কাব্যের অন্তর্গত
¶সংগীতঃ [ অনুচ্ছেদ – ৪(১) ]
- ১০ চরণ নেওয়া হয়েছে ( যদিও মূল সংগীত ২৫ লাইনের)
- রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ৪ চরণ বাজানো হয়
- প্রথম গৃহীত হয় ৩ মার্চ ১৯৭১ সালে
- সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
- প্রথম প্রকাশিত হয় বংদর্শন পত্রিকাতে
- ইংরেজি অনুবাদক আলী আহসান
- গীতবিতান কাব্যের অন্তর্গত
¶পতাকাঃ [ অনুচ্ছেদ -৪(২) ]
- মাপ ১০:৬ বা ৫:৩
- প্রথম ডিজাইনার হলে শিব নারায়ণ দাশ
- বর্তমান ডিজাইনার কামরুল হাসান
- প্রথম উত্তোলক- আ স ম আব্দুর রব (২ মার্চ)
- মিল আছে জাপান, পালাউ এর পতাকার সাথে
- মাপ ১০:৬ বা ৫:৩
- প্রথম ডিজাইনার হলে শিব নারায়ণ দাশ
- বর্তমান ডিজাইনার কামরুল হাসান
- প্রথম উত্তোলক- আ স ম আব্দুর রব (২ মার্চ)
- মিল আছে জাপান, পালাউ এর পতাকার সাথে
¶প্রতীকঃ [ অনুচ্ছেদ -৪(৩) ]
- মোট তারকার সংখ্যা ৪ টি
- ডিজাইনার - কামরুল হাসান
- পাটপাতা আছে ৩ টি
- মোট তারকার সংখ্যা ৪ টি
- ডিজাইনার - কামরুল হাসান
- পাটপাতা আছে ৩ টি
#সংবিধানের_২য়_ভাগঃ
---------------------------
**** প্রথম ভাগে অনুচ্ছেদ আছে ১ থেকে ৭ টি । [ ১-৭ ]
**** ২য় ভাগে আছে ৮ থেকে ২৫ [ ৮-২৫ ]
=====================
৮,৯,১০,১১,১২ = পরপর ৫ টা সংখ্যা ।
৮= জাতীয়তাবাদ , সমাজতন্ত্র , গণতন্ত্র , ধর্মনিরপেক্ষতা – এই ৪ টা মূলনীতি আছে ।
এখন দেখুন এই ৪ টা মূলনীতি পরপর ৯,১০,১১,১২ তে বসিয়ে দিন ।
-----৯ = জাতীয়তাবাদ
-----১০= সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
-----১১= গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
-----১২= ধর্মনিরপেক্ষতা
=====================
(১৩+১৪)= ঐ সম্পত্তির মালিক এবং ঐ গুষ্টি ও ১৪ গুষ্টিও আমাদের প্রেম মানবে না ।
------- [ গুষ্টি কথাটা গ্রামের মানুষ বেশি ব্যবহার করে ]
-------১৩= মালিকানা নীতি
-------১৪=কৃষক ও শ্রমিক মুক্তি
====================
১৫ = এর শেষে ৫ আছে । মানে আমাদের বেঁচে থাকার মৌলিক উপাদান ৫ টি ।
-----১৫= মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে ।
====================
১৬ = সোলো (১৬) ______ ধরে ঝোল [ গ্রামের উন্নত মস্তিষ্কের পুলাপান মজায় মজায় বলে থাকে ]
------ ১৬= গ্রামীণ উন্নয়ণ এবং কৃষি বিপ্লব
১৭= আমরা সবাই জানি [ অবনৈতিক এবং বাধ্যতামূলক শিক্ষা ]
====================
১৮= ১৮+ [ এই বয়সের পুলাপান গুলো অভদ্র হয় । তাই ১৮ নং এ জনস্বাস্থ এবং নৈতিকতার কথা বলা হয়েছে যেন ১৮+ এর পুলাপান ভদ্র হয় ।
-----18=জনস্বাস্থ এবং নৈতিকতা
====================
১৯+২০ = কাজে যেন ১৯-২০ না হয় । তা দিয়ে আমরা বুঝি সব কিছুই ঠিক মত চলে যেন । তার মানে সুযোগের সমতা + অধিকার এবং কর্তব্য এর কথা ঠিক থাকলে কাজে ১৯-২০ হবে না ।
------১৯= সুযোগের সমতা
------২০= অধিকার এবং কর্তব্য
====================
২১= আপনি জানেন [ সরকার এত লোক কেন নিয়োগ দিচ্ছে ? আমাদের সেবা করার জন্য ]
২২= আপনি জানেন [ কি জানেন না ২০০৭ সালে ১ নভেম্বর কেন বিখ্যাত ?? ]
২৩= গান বাজনা ভালোই শুনেন তাই না ??
-----২৩(ক) তে উপজাতিদের গান বাজনার অধিকার দেওয়া হয়েছে ।
২৪=এটা বাদ দেন না ভাই আপু ।
২৫= শেষ বেলাই এখন শান্তি আর শান্তি ___ শান্তি,নিরাপত্তা এবং সংহতি ___
---------------------------
**** প্রথম ভাগে অনুচ্ছেদ আছে ১ থেকে ৭ টি । [ ১-৭ ]
**** ২য় ভাগে আছে ৮ থেকে ২৫ [ ৮-২৫ ]
=====================
৮,৯,১০,১১,১২ = পরপর ৫ টা সংখ্যা ।
৮= জাতীয়তাবাদ , সমাজতন্ত্র , গণতন্ত্র , ধর্মনিরপেক্ষতা – এই ৪ টা মূলনীতি আছে ।
এখন দেখুন এই ৪ টা মূলনীতি পরপর ৯,১০,১১,১২ তে বসিয়ে দিন ।
-----৯ = জাতীয়তাবাদ
-----১০= সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
-----১১= গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
-----১২= ধর্মনিরপেক্ষতা
=====================
(১৩+১৪)= ঐ সম্পত্তির মালিক এবং ঐ গুষ্টি ও ১৪ গুষ্টিও আমাদের প্রেম মানবে না ।
------- [ গুষ্টি কথাটা গ্রামের মানুষ বেশি ব্যবহার করে ]
-------১৩= মালিকানা নীতি
-------১৪=কৃষক ও শ্রমিক মুক্তি
====================
১৫ = এর শেষে ৫ আছে । মানে আমাদের বেঁচে থাকার মৌলিক উপাদান ৫ টি ।
-----১৫= মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে ।
====================
১৬ = সোলো (১৬) ______ ধরে ঝোল [ গ্রামের উন্নত মস্তিষ্কের পুলাপান মজায় মজায় বলে থাকে ]
------ ১৬= গ্রামীণ উন্নয়ণ এবং কৃষি বিপ্লব
১৭= আমরা সবাই জানি [ অবনৈতিক এবং বাধ্যতামূলক শিক্ষা ]
====================
১৮= ১৮+ [ এই বয়সের পুলাপান গুলো অভদ্র হয় । তাই ১৮ নং এ জনস্বাস্থ এবং নৈতিকতার কথা বলা হয়েছে যেন ১৮+ এর পুলাপান ভদ্র হয় ।
-----18=জনস্বাস্থ এবং নৈতিকতা
====================
১৯+২০ = কাজে যেন ১৯-২০ না হয় । তা দিয়ে আমরা বুঝি সব কিছুই ঠিক মত চলে যেন । তার মানে সুযোগের সমতা + অধিকার এবং কর্তব্য এর কথা ঠিক থাকলে কাজে ১৯-২০ হবে না ।
------১৯= সুযোগের সমতা
------২০= অধিকার এবং কর্তব্য
====================
২১= আপনি জানেন [ সরকার এত লোক কেন নিয়োগ দিচ্ছে ? আমাদের সেবা করার জন্য ]
২২= আপনি জানেন [ কি জানেন না ২০০৭ সালে ১ নভেম্বর কেন বিখ্যাত ?? ]
২৩= গান বাজনা ভালোই শুনেন তাই না ??
-----২৩(ক) তে উপজাতিদের গান বাজনার অধিকার দেওয়া হয়েছে ।
২৪=এটা বাদ দেন না ভাই আপু ।
২৫= শেষ বেলাই এখন শান্তি আর শান্তি ___ শান্তি,নিরাপত্তা এবং সংহতি ___
#নবম_ভাগ
-------------
মনে রাখার সুবিধার অন্য মাঝে মাঝে আমি একটু অন্যরকম ভাষা প্রয়োগ করে থাকি । দয়া করে অন্য ভাবে নিবেন না ।
*** প্রথম পরিচ্ছেদঃ কর্মবিভাগ
== নিয়োগের শর্ত হল মেয়াদ না মানলে বরখাস্ত করে কর্মবিভাগ পুনর্গঠন করা হবে
-
* নিয়োগের শর্ত – (১৩৩) – নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী
* মেয়াদ – ( ১৩৪ ) – কর্মের মেয়াদ
* বরখাস্ত – (১৩৫ ) – অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি
* কর্মবিভাগ পুনর্গঠন – ( ১৩৬ ) – কর্মভিবাগ পুনর্গঠন
-
*** ২য় পরিচ্ছেদঃ সরকারী কর্মকমিশন
== কসপকবা ==
ক - ( ১৩৭) – কমিশন প্রতিষ্ঠা
স – (১৩৮ ) – সদস্য নিয়োগ
প- (১৩৯ ) – পদের মেয়াদ
ক – ( ১৪০ ) – কমিশনের দায়িত্ব
বা- ( ১৪১ ) – বার্ষিক রিপোর্ট
-------------
মনে রাখার সুবিধার অন্য মাঝে মাঝে আমি একটু অন্যরকম ভাষা প্রয়োগ করে থাকি । দয়া করে অন্য ভাবে নিবেন না ।
*** প্রথম পরিচ্ছেদঃ কর্মবিভাগ
== নিয়োগের শর্ত হল মেয়াদ না মানলে বরখাস্ত করে কর্মবিভাগ পুনর্গঠন করা হবে
-
* নিয়োগের শর্ত – (১৩৩) – নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী
* মেয়াদ – ( ১৩৪ ) – কর্মের মেয়াদ
* বরখাস্ত – (১৩৫ ) – অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি
* কর্মবিভাগ পুনর্গঠন – ( ১৩৬ ) – কর্মভিবাগ পুনর্গঠন
-
*** ২য় পরিচ্ছেদঃ সরকারী কর্মকমিশন
== কসপকবা ==
ক - ( ১৩৭) – কমিশন প্রতিষ্ঠা
স – (১৩৮ ) – সদস্য নিয়োগ
প- (১৩৯ ) – পদের মেয়াদ
ক – ( ১৪০ ) – কমিশনের দায়িত্ব
বা- ( ১৪১ ) – বার্ষিক রিপোর্ট
৯ম- ক ( জরুরী বিধানাবলী )
=================
১৪১ –(ক) – জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা ( মেয়াদ ১২০ দিন / ৪ মাস )
১৪১ –( খ) ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০ এবং ৪২ নং অনুচ্ছেদ স্থগিত
১৪১ – ( গ ) মৌলিক অধিকার স্থগিত
=================
১৪১ –(ক) – জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা ( মেয়াদ ১২০ দিন / ৪ মাস )
১৪১ –( খ) ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০ এবং ৪২ নং অনুচ্ছেদ স্থগিত
১৪১ – ( গ ) মৌলিক অধিকার স্থগিত
#সংবিধানের_যেসব_অনুচ্ছেদ_বেশি_গুরুত্বপূর্ণ
--------------------------------------------------
vরাষ্ট্র ধর্ম ২(ক)
vরাষ্ট্রভাষা বাংলা – ৩
vজাতীয় সঙ্গীত, পতাকা প্রতীক কথা - ৪(১)৪(২)৪(৩)
vজাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ -৪(ক)
vজাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশি - ৬(২)
vরাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি -৮-১২
vঅবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিক্ষা - ১৭
vপরিবেশ ও জীব বৈচিত্র সংরক্ষণ -১৮(ক)
vনির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক – ২২
vনাগরিকের কর্তব্য -২১
vজাতীয় সংস্কৃতি এবং উপজাতি -২৩ ও ২৩(ক)
vপররাষ্ট্র নীতি -২৫
vমৌলিক অধিকার সংক্রান্ত - ২৬ থেকে ৪৭( দেখে নিবেন)
vরাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি – ৫১
vস্থানীয় শাসন -৫৯-৬০
vন্যায়পাল -৭৭
vঅর্থবিল -৮১
vঅধ্যাদশ প্রণয়ন ক্ষমতা -৯৩
vসুপ্রীম কোর্ট -৯৪
vসুপ্রীম জুডিশিয়াল কাউন্সিল -৯৬(৩-৪)
vরিট অধিকার -১০২
vপ্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল – ১১৭
vনির্বাচন কমিশনার নিয়োগ - ১১৮(১)
vসরকারি কর্মকমিশন গঠনের কথা - ১৩৭ -১৪১
vজরুরী অবস্থা ঘোষণা -১৪১(ক)
vসংবিধান সংশোধনের বিধান – ১৪২
vবাংলাদেশের নামে মামলা – ১৪৬
vআইনের ব্যাখ্যা – ১৫২
v৫ম তফসিল - ৭ মার্চের ভাষণ
v৬ষ্ঠ তফশিল - ২৬ শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা
v৭ম তফশিল - স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র
----------------------------------------------------------------
“ এই স্বাধীনতা তখনি আমার কাছে প্রকৃত স্বাধীনতা হয়ে উঠবে, যেদিন বাংলার কৃষক-মজুর ও দুঃখী মানুষের সকল দুঃখের অবসান হবে ”
[ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ]
--------------------------------------------------
vরাষ্ট্র ধর্ম ২(ক)
vরাষ্ট্রভাষা বাংলা – ৩
vজাতীয় সঙ্গীত, পতাকা প্রতীক কথা - ৪(১)৪(২)৪(৩)
vজাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ -৪(ক)
vজাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশি - ৬(২)
vরাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি -৮-১২
vঅবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিক্ষা - ১৭
vপরিবেশ ও জীব বৈচিত্র সংরক্ষণ -১৮(ক)
vনির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক – ২২
vনাগরিকের কর্তব্য -২১
vজাতীয় সংস্কৃতি এবং উপজাতি -২৩ ও ২৩(ক)
vপররাষ্ট্র নীতি -২৫
vমৌলিক অধিকার সংক্রান্ত - ২৬ থেকে ৪৭( দেখে নিবেন)
vরাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি – ৫১
vস্থানীয় শাসন -৫৯-৬০
vন্যায়পাল -৭৭
vঅর্থবিল -৮১
vঅধ্যাদশ প্রণয়ন ক্ষমতা -৯৩
vসুপ্রীম কোর্ট -৯৪
vসুপ্রীম জুডিশিয়াল কাউন্সিল -৯৬(৩-৪)
vরিট অধিকার -১০২
vপ্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল – ১১৭
vনির্বাচন কমিশনার নিয়োগ - ১১৮(১)
vসরকারি কর্মকমিশন গঠনের কথা - ১৩৭ -১৪১
vজরুরী অবস্থা ঘোষণা -১৪১(ক)
vসংবিধান সংশোধনের বিধান – ১৪২
vবাংলাদেশের নামে মামলা – ১৪৬
vআইনের ব্যাখ্যা – ১৫২
v৫ম তফসিল - ৭ মার্চের ভাষণ
v৬ষ্ঠ তফশিল - ২৬ শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা
v৭ম তফশিল - স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র
----------------------------------------------------------------
“ এই স্বাধীনতা তখনি আমার কাছে প্রকৃত স্বাধীনতা হয়ে উঠবে, যেদিন বাংলার কৃষক-মজুর ও দুঃখী মানুষের সকল দুঃখের অবসান হবে ”
[ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ]
“ সরকারী কর্মচারীদের জনগণের সাথে মিশে যেতে হবে। তাঁরা জনগণের খাদেম, সেবক, ভাই। তাঁরা জনগণের বাপ, জনগণের ভাই, জনগণের সন্তান। তাঁদের এই মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। ”
[ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ]
[ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ]
"সাত কোটি বাঙ্গালীর ভালোবাসার কাঙ্গাল আমি ।
আমি সব হারাতে পারি কিন্তু
বাংলাদেশের মানুশের ভালোবাসা হারাতে পারবো না।"
[ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ]
আমি সব হারাতে পারি কিন্তু
বাংলাদেশের মানুশের ভালোবাসা হারাতে পারবো না।"
[ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ]
"মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শান্তি একান্ত দরকার। এই শান্তির মধ্যে সারা বিশ্বের সকল নর-নারীর গভীর আশা আকাঙ্ক্ষা মূর্ত হয়ে রয়েছে। ন্যায়নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত না হলে শান্তি কখনো স্থায়ী হতে পারে না।"
[ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ]
[ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ]
No comments:
Post a Comment