ইংরেজি লিখিতর মধ্যে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হলো অনুবাদ, ২০০ নাম্বারের রিটেনের মধ্যে ৫০ নাম্বারই থাকে অনুবাদ যার ফলে অনুবাদ কেমন দিলেন তার উপরই অনেকটা নির্ভর করে ইংরেজি পরীক্ষা। অনুবাদের জন্য এখন থেকে পরীক্ষার পূর্বের দিন পর্যন্ত একটা ইংরেজি টু বাংলা এবং একটা বাংলা টু ইংরেজি অনুবাদ চর্চা যে কাউকেই এগিয়ে রাখবে এবং খুব দক্ষ করে তুলবে। যে কোনো গাইড বই অথবা পেপার ধরে অনুবাদ করে সেটা মিলিয়ে দেখলেই বুঝতে পারবেন কতটা পার্ফেক্টলি করতে পেরেছেন। প্রথম দিকে অনুবাদ শেষ করতে অথবা অনুবাদ করতে গিয়েই হিমসিম খাবেন কিন্তু কষ্ট করে চেষ্টা চালিয়ে গেলে দেখবেন এক মাস পরই বেস প্রস্তুস্ত হয়ে গেছেন। যে যে শব্দগুলির বাংলা অথবা ইংরেজি অনুবাদ করার সময় মনে আসেনি সেগুলি অনুবাদের পরে ডিকশনারি ঘেটে দেখুন এবং লিখে রাখুন এর পর আর ভুলবেন না। এভাবে ৩/৪ মাস নিয়মিন অনুবাদ চর্চা করলে দেখবেন অনুবাদ করা আপনার নেশা হয়ে গেছে। আর কম্প্রিহেনশন/প্যাসেজ এর সেকশানের জন্য যেকোনো গাইড বই ধরে ৩/৪ মাস প্রাকটিস করলে ভালো প্রস্তুতি হয়ে যায়। প্যাসেজ চর্চা প্রতিদিন না করতে পারলেও অনুবাদ চর্চা প্রতিদিন হওয়া উচিত।প্যাসেজ চর্চা দু এক দিন পর পর করে ভাবে ৪০/৫০/৬০ টা প্যাসেজ যেকোনো দুইটি গাইড বই থেকে চর্চা করলে দেখবেন বেশ ভালো দক্ষ হয়ে উঠেছেন। আর যদি মনে করেন আপনার ইংরেজিতে দুর্বলতা খুব বেশি সেক্ষেত্রে গ্রামার ওয়াইজ সিলেবাস ধরে নবম দশম শ্রেনির চৌধুরি এন্ড হোসেইন বই থেকে অথবা পিসি দাস এর বই ফলো করতে পারেন। প্রতিটা গ্রামার নিয়ে আলাদা করে বলছি না কারন যারা রিটেন দিবেন সবাই দু চারটা বিসিএস প্রশ্ন ঘেটে দেখলেই বুঝতে পারবেন কী কী আসে এবং সেভাবে টপিক ওয়াইজ ধরে ধরে প্রিপারশন নিলে যিনি ইংরেজিতে দুর্বল আছেন তিনিও সবল হয়ে যাবেন। এছাড়া আরেকটা বড় নম্বর থাকে কম্পোজিশন অর্থাৎ এসে রাইটিংএ আর বাকি থাকলো লেটার বা এপ্লিকেশন রাইটিং । এই রাইটিং সেকশানগুলিতে আপনার লেখার মান, সৌর্ন্দয্য,হাতের লেখা , পরিমান এই সব বিষয় বড় কারন হয়ে দাড়াবে। বিগত চারটা বিসিএসের প্রশ্ন ঘেটে দেখুন কোন ধরনের কম্পোজিশান আসে সে অনুসারে ৮-১০ টা কম্পোজিশান নিজে নিজে ঠিক করুন এবং নোট করে ফেলুন অবশ্যই প্রতিটা এসেতে ৫/৬ টা কোটেশন , ২/৩ টা চার্ট , পর্যাপ্ত ডাটা থাকতে হবে। এসেগুলি নোট তৈরি করতেই বেশ কষ্ট হবে কিন্তু এক বার শেষ করে ফেললে দেখবেন , দু এক বার পড়লেই মুখস্ত হয়ে গেছে বা আপনার আয়ত্তে এসে গেছে।৫০ নাম্বারের কম্পোজিশান একটু ভালো মানের হলে এখানেই অন্যদের থেকে ৫-৮ নাম্বার এগিয়ে থাকা যায়। লেটার ,এপ্লিকেশনও যে কোনো ভালো মানের যেমন রেন এন্ড মার্টিন বা পিসি দাশের বই ফলো করুন, লেখার স্টাইল দেখুন। একটা স্টার্ন্ডাড প্যার্টান মনে গেথে ফেলুন বা নোট করে রাখুন। কোনো ভাবেই যেন বেসিক ব্যাপারগুলো মিস না হয় লেটার এপ্লিকেশনের ক্ষেত্রে। লেটার গুলো বিভিন্ন প্যার্টানের আছে সব নিয়মই এক একটা করে শিখে যাবনে যাতে করে সেটা যদি ফিচার টু এডিটর আসে অথবা পার্সোনাল লেটার যাই আসুক লিখতে পারেন এবং প্যার্টান টা ঠিক থাকে। এর জন্য প্রতিটা প্যাটানের জন্য এক একটা নোট করে রাখলে পরীক্ষার আগে রিভিশন দিতে সুবিধা হয়। সর্বোপরি একটা কথা বলছি , সারা জীবন মানুষ আপনাকে স্যার স্যার করবে , প্রচুর সম্মান পাবেন এমন একটা চাকরি পাবার জন্য আপনাকে ততটা চাপই নিতে হবে এবং কষ্ট করতে হবে তাহলেই আপনি তার যোগ্য হয়ে উঠবেন।
ইংরেজি লিখিতর মধ্যে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হলো অনুবাদ, ২০০ নাম্বারের রিটেনের মধ্যে ৫০ নাম্বারই থাকে অনুবাদ যার ফলে অনুবাদ কেমন দিলেন তার উপরই অনেকটা নির্ভর করে ইংরেজি পরীক্ষা। অনুবাদের জন্য এখন থেকে পরীক্ষার পূর্বের দিন পর্যন্ত একটা ইংরেজি টু বাংলা এবং একটা বাংলা টু ইংরেজি অনুবাদ চর্চা যে কাউকেই এগিয়ে রাখবে এবং খুব দক্ষ করে তুলবে। যে কোনো গাইড বই অথবা পেপার ধরে অনুবাদ করে সেটা মিলিয়ে দেখলেই বুঝতে পারবেন কতটা পার্ফেক্টলি করতে পেরেছেন। প্রথম দিকে অনুবাদ শেষ করতে অথবা অনুবাদ করতে গিয়েই হিমসিম খাবেন কিন্তু কষ্ট করে চেষ্টা চালিয়ে গেলে দেখবেন এক মাস পরই বেস প্রস্তুস্ত হয়ে গেছেন। যে যে শব্দগুলির বাংলা অথবা ইংরেজি অনুবাদ করার সময় মনে আসেনি সেগুলি অনুবাদের পরে ডিকশনারি ঘেটে দেখুন এবং লিখে রাখুন এর পর আর ভুলবেন না। এভাবে ৩/৪ মাস নিয়মিন অনুবাদ চর্চা করলে দেখবেন অনুবাদ করা আপনার নেশা হয়ে গেছে। আর কম্প্রিহেনশন/প্যাসেজ এর সেকশানের জন্য যেকোনো গাইড বই ধরে ৩/৪ মাস প্রাকটিস করলে ভালো প্রস্তুতি হয়ে যায়। প্যাসেজ চর্চা প্রতিদিন না করতে পারলেও অনুবাদ চর্চা প্রতিদিন হওয়া উচিত।প্যাসেজ চর্চা দু এক দিন পর পর করে ভাবে ৪০/৫০/৬০ টা প্যাসেজ যেকোনো দুইটি গাইড বই থেকে চর্চা করলে দেখবেন বেশ ভালো দক্ষ হয়ে উঠেছেন। আর যদি মনে করেন আপনার ইংরেজিতে দুর্বলতা খুব বেশি সেক্ষেত্রে গ্রামার ওয়াইজ সিলেবাস ধরে নবম দশম শ্রেনির চৌধুরি এন্ড হোসেইন বই থেকে অথবা পিসি দাস এর বই ফলো করতে পারেন। প্রতিটা গ্রামার নিয়ে আলাদা করে বলছি না কারন যারা রিটেন দিবেন সবাই দু চারটা বিসিএস প্রশ্ন ঘেটে দেখলেই বুঝতে পারবেন কী কী আসে এবং সেভাবে টপিক ওয়াইজ ধরে ধরে প্রিপারশন নিলে যিনি ইংরেজিতে দুর্বল আছেন তিনিও সবল হয়ে যাবেন। এছাড়া আরেকটা বড় নম্বর থাকে কম্পোজিশন অর্থাৎ এসে রাইটিংএ আর বাকি থাকলো লেটার বা এপ্লিকেশন রাইটিং । এই রাইটিং সেকশানগুলিতে আপনার লেখার মান, সৌর্ন্দয্য,হাতের লেখা , পরিমান এই সব বিষয় বড় কারন হয়ে দাড়াবে। বিগত চারটা বিসিএসের প্রশ্ন ঘেটে দেখুন কোন ধরনের কম্পোজিশান আসে সে অনুসারে ৮-১০ টা কম্পোজিশান নিজে নিজে ঠিক করুন এবং নোট করে ফেলুন অবশ্যই প্রতিটা এসেতে ৫/৬ টা কোটেশন , ২/৩ টা চার্ট , পর্যাপ্ত ডাটা থাকতে হবে। এসেগুলি নোট তৈরি করতেই বেশ কষ্ট হবে কিন্তু এক বার শেষ করে ফেললে দেখবেন , দু এক বার পড়লেই মুখস্ত হয়ে গেছে বা আপনার আয়ত্তে এসে গেছে।৫০ নাম্বারের কম্পোজিশান একটু ভালো মানের হলে এখানেই অন্যদের থেকে ৫-৮ নাম্বার এগিয়ে থাকা যায়। লেটার ,এপ্লিকেশনও যে কোনো ভালো মানের যেমন রেন এন্ড মার্টিন বা পিসি দাশের বই ফলো করুন, লেখার স্টাইল দেখুন। একটা স্টার্ন্ডাড প্যার্টান মনে গেথে ফেলুন বা নোট করে রাখুন। কোনো ভাবেই যেন বেসিক ব্যাপারগুলো মিস না হয় লেটার এপ্লিকেশনের ক্ষেত্রে। লেটার গুলো বিভিন্ন প্যার্টানের আছে সব নিয়মই এক একটা করে শিখে যাবনে যাতে করে সেটা যদি ফিচার টু এডিটর আসে অথবা পার্সোনাল লেটার যাই আসুক লিখতে পারেন এবং প্যার্টান টা ঠিক থাকে। এর জন্য প্রতিটা প্যাটানের জন্য এক একটা নোট করে রাখলে পরীক্ষার আগে রিভিশন দিতে সুবিধা হয়। সর্বোপরি একটা কথা বলছি , সারা জীবন মানুষ আপনাকে স্যার স্যার করবে , প্রচুর সম্মান পাবেন এমন একটা চাকরি পাবার জন্য আপনাকে ততটা চাপই নিতে হবে এবং কষ্ট করতে হবে তাহলেই আপনি তার যোগ্য হয়ে উঠবেন।
No comments:
Post a Comment