##প্রথমে মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের জন্য চুয়াডাঙ্গা কে নির্ধারণ করা হয়েছিল।শপথ ঘোষনার জন্যে চুয়াডাঙ্গাকে রাজধানী ঘোষনা করা হয়।১৪ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসী সরকার শপথ নিবে বলে প্রচার করা হয়।আকাশবানী পত্রিকায় এই খবর প্রচারিত হলে রাজধানী চুয়াডাঙ্গার গুরত্ব বেরে যায়, পাক বাহিনী সেখানে বোম্বিং করে।ফলে চুয়াডাঙ্গায় শপথ গ্রহনের সিদ্বান্ত থেকে সরে আসতে হয় বাংলাদেশকে।অতঃপর বৈদ্যনাথতলা কে বেছে নেয়া হয়।
##বৈদ্যনাথ তলা সংগ্রাম কমিটি প্রবাসী সরকারের শপথ গ্রহনের জঙ্গল কেটে মঞ্চ তৈরি করেছিল।১৩ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির প্রধান ছিলেন দোয়াজ উদ্দীন মাষ্টার। জঙ্গল কাটায় একজন বিদেশী নাগরিক ( ব্রাদার ফ্রান্সিস) অংশ গ্রহন করেছিলেন।
#####শপথ অনুষ্ঠানে####
১। কুরআন পাঠ করেন--- বাকের আলী।
২। বাইবেল পাঠ করেন--- পিন্টু বিশ্বাস।
৩। পতাকা উত্তোলন করেন-- সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
৪। পতাকা সংগ্রহ করে আনেন -- সোলেমান বিশ্বাস।
৫। জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন-- সাহাবুদ্দিন আহমেদ সেন্টু ও তার দল।
৬। অনুষ্ঠান শেষে মিষ্টি বিতরণ করেন-- সেলিম মুন্সী ও তার দল।
৭। বাংলাদেশের নারি সমাজের প্রতিনিধিত্ব করেন--- বেগম নাজিয়া ওসমান চৌধুরি (আবু ওসমান চৌধুরীর স্ত্রী)।
৭। ১ম ভাষণ দেন-- তাজউদ্দিন আহমেদ।
২। বাইবেল পাঠ করেন--- পিন্টু বিশ্বাস।
৩। পতাকা উত্তোলন করেন-- সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
৪। পতাকা সংগ্রহ করে আনেন -- সোলেমান বিশ্বাস।
৫। জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন-- সাহাবুদ্দিন আহমেদ সেন্টু ও তার দল।
৬। অনুষ্ঠান শেষে মিষ্টি বিতরণ করেন-- সেলিম মুন্সী ও তার দল।
৭। বাংলাদেশের নারি সমাজের প্রতিনিধিত্ব করেন--- বেগম নাজিয়া ওসমান চৌধুরি (আবু ওসমান চৌধুরীর স্ত্রী)।
৭। ১ম ভাষণ দেন-- তাজউদ্দিন আহমেদ।
No comments:
Post a Comment