✎ রক্তশূন্যতা দেখা দেয় -- অায়রনের অভাবে।
✎ দুধের রং সাদা হয় -- প্রোটিনের জন্য।
✎ সর্বাধিক স্নেহ জাতীয় পদার্থ বিদ্যমান -- দুধে।
✎ ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম -- অ্যাসকরবিক এসিড।
✎ প্রোটিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয় -- অ্যামাইনো এসিড।
✎ কচুশাকে বেশি থাকে -- লৌহ।
✎ সুষমখাদ্যে শর্করা, অামিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত -- ৪:১:১।
✎ সবুজ তরিতরকারিতে সবচেয়ে বেশি থাকে -- খনিজ
পদার্থ ও ভিটামিন।
✎ সবচেয়ে বেশি পাটাশিয়াম পাওয়া যায় -- ডাবে।
✎ মাড়ি দিয়ে পুজি ও রক্ত পড়ে -- ভিটামিন সি এর
অভাবে।
✎ মানবদেহের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন -- অামিষ জাতীয়
খাদ্যে।
✎ সূর্য কিরণ হতে পাওয়া যায় -- ভিটামিন ডি।
✎ ডিমের সাদা অংশে যে প্রোটিন থাকে -- অ্যালবুমিন।
✎ অামিষের কাজ -- দেহ কোষ গঠনে সহয়তা করা।
✎ মোটামুটি সম্পূর্ণ বা অাদর্শ খাদ্য বলা হয় -- দুধকে।
✎ কোলেস্টরল -- এক ধরণের অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল।
✎ হাড় ও দাত তৈরির জন্য প্রয়োজন -- ডি ভিটামিন।
✎ ভিটামিন ডি এর অভাবে -- রিকেটস রোগ।
✎ অস্থির বৃদ্ধির জন্য পোয়োজন -- ক্যালসিয়াম।
✎ মলা মাছে থাকে -- ভিটামিন এ।
✎ দুধের রং সাদা হয় -- প্রোটিনের জন্য।
✎ সর্বাধিক স্নেহ জাতীয় পদার্থ বিদ্যমান -- দুধে।
✎ ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম -- অ্যাসকরবিক এসিড।
✎ প্রোটিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয় -- অ্যামাইনো এসিড।
✎ কচুশাকে বেশি থাকে -- লৌহ।
✎ সুষমখাদ্যে শর্করা, অামিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত -- ৪:১:১।
✎ সবুজ তরিতরকারিতে সবচেয়ে বেশি থাকে -- খনিজ
পদার্থ ও ভিটামিন।
✎ সবচেয়ে বেশি পাটাশিয়াম পাওয়া যায় -- ডাবে।
✎ মাড়ি দিয়ে পুজি ও রক্ত পড়ে -- ভিটামিন সি এর
অভাবে।
✎ মানবদেহের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন -- অামিষ জাতীয়
খাদ্যে।
✎ সূর্য কিরণ হতে পাওয়া যায় -- ভিটামিন ডি।
✎ ডিমের সাদা অংশে যে প্রোটিন থাকে -- অ্যালবুমিন।
✎ অামিষের কাজ -- দেহ কোষ গঠনে সহয়তা করা।
✎ মোটামুটি সম্পূর্ণ বা অাদর্শ খাদ্য বলা হয় -- দুধকে।
✎ কোলেস্টরল -- এক ধরণের অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল।
✎ হাড় ও দাত তৈরির জন্য প্রয়োজন -- ডি ভিটামিন।
✎ ভিটামিন ডি এর অভাবে -- রিকেটস রোগ।
✎ অস্থির বৃদ্ধির জন্য পোয়োজন -- ক্যালসিয়াম।
✎ মলা মাছে থাকে -- ভিটামিন এ।
No comments:
Post a Comment