১. আপনারা প্রস্তুতি নিবেন যে বিষয়গুলো লিখিত প্রস্তুতি নিলে প্রিলির জন্য খুব ভাল হবে এবং কমন কিছু বিষয়।
* ইংলিশ গ্রামার ও শব্দার্থ
* গণিত ও আইকিউ
* বাংলা গ্রামার ও সাহিত্য
* বাংলাদেশ - ১৯৪৭ হতে ১৯৭১ + সংবিধান + অর্থনৈতিক সমীক্ষা (২০১৯ বের হলে পড়বেন)
*** বাকি বিষয় প্রিলি ফলাফলের পরে।
২. ইংরেজি সাহিত্যের হাজার হাজার বই চরিত্রের নাম মুখস্থ না করে মাখন সাহিত্যিকের মাখন সাহিত্যগুলা সামারি পড়
লিখিত বাজারে যে গাইড আছে - সংক্ষেপে খুব হতাশাজনক। আপনাকে এই সব বইয়ের অর্ধেক পেজ ছিরে ফেলে দিতে হবে। কারণ ২০১৫ সালে যা ইম্পরট্যান্ট ছিল তার হয়ত কোন মূল্য নেই ২০১৯ এ। কিন্তু একটা ফ্রেমে আনতে আপনার যেকোনো একটা গাইড খুব দরকার।
৩৫-৩৮ প্রশ্ন নিজেরা খুব ভাল ভাবে এনালাইসিস করবেন - কেন এই প্রশ্নটি আসলো বা কোন চ্যাপ্টার থেকে আসলো। অবশ্যই সাথে ৩৮তমের সিলেবাস নিয়ে বসবেন। এভাবে প্রশ্ন ঘাঁটাঘাঁটি করলে আপনি বুঝে যাবেন গাইডের কোন প্রশ্ন বাদ দেওয়া লাগবে।
লিখিতের সিলেবাস অনেক বড় মনে করে এলোপাথাড়ি বই রিডিং দিয়ে গেলে ৩ মাস পরে দেখবেন কিছু মাথায় নাই। অর্থাৎ আপনি রিডিং দিয়ে কাজের কাজ তেমন কিছু করতে পারেন নাই বুঝতে বুঝতে এক্সাম আর মাত্র ১ মাস। আরও ভাল ভাবে বলা যায় বুঝতে বুঝতে ১ টা লিখিত শেষ - এত কষ্ট করে প্রিলি পাস করে হেলায় লিখিত হারানো চরম বোকামি মনে করি।
তাহলে কীভাবে পড়বেন?
১. প্রথমে ৯০০ মার্কের সিলেবাস ভাগ করে নিন আগামি ৩/৪ মাস সময় স্পানে।
২. ধরেন প্রথম ১ মাস আপনি বাংলাদেশ পড়বেন।
৩. ১/২ দিনে প্রশ্ন ও সিলেবাস বিশ্লেষণ করেন - প্রতি বিসিএসে ঐ প্রশ্ন গুলা কেন আসলো সম্ভাব্য কারণ খুঁজে নিন।
৪. গাইডে সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্ন থাকে। আপনার প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে চ্যাপ্টার প্রতি প্রশ্ন লিখে নেন। গাইডে ৩০ টা প্রশ্ন থাকলে আপানর হবে ১০/১২ টা। এগুলার এমন হবে যেন এই চ্যাপ্টার থেকে কিছু আসলে আপনি একটা সুন্দর উত্তর বানিয়ে লিখে দিতে পারেন।
৫. রচনা আকারে নোট করে কি লাভ? বইয়ে যা আছে টা খাতায় তুলে কি লাভ? -------- আপনি প্রতি প্রশ্নের ৫/৬ টা পয়েন্ট নোট নিবেন যেন প্রশ্ন উত্তরের বাসিকটা কাভার করে। কিছু ইনফো মাথায় থাকলে বাংলায় সুন্দর করে কিছু লেখার ক্ষমতা এই লেভেলে সবার আছে।
৬. এতে একটা সময় দেখবেন যে বাংলাদেশ বইটি ছিল ১২০০ পেজের তা হয়ে গিয়েছে ৭০/৮০ পেজের একটি নোট। এটাও সত্য শেষ সময়ে এই ৭০/৮০ পেজ রিভিশন দিতে পারবেন না। আর প্রিলিতে দেখেছেন শেষ সময়ে রিভিশন দিতে না পারায় আগের পড়া কত কিছু ভুল করেছেন বা পারেন নাই। একি ভুল আবার কেন করবেন? তাই শর্ট নোট নেন।
-------
*** প্রশ্নের উত্তরে কোটেশন নোট নেওয়ার দরকার নাই। কোটেশনের জন্য আলাদা একটা নোট নেন। ৯০০ মার্ক্সের প্রস্তুতির মাঝে দেখবেন আপনার ৫০/৬০ টা কোটেশন লেখা হয়ে গিয়েছে। এগুলা বেশ করে মুখস্থ করে নিবেন। প্রশ্ন যাই আসুক আপনার এই ৫০/৬০ টি থেকে প্রতি পরীক্ষায় ব্যাবহার করার চেষ্টা করবেন।
-------
কোটেশন, ডাটা, গ্রাফ, চার্ট, ম্যাপ ইত্যাদির মাধ্যমে উত্তর করতে পারলে অন্যদের চেয়ে একধাপ এগিয়ে থাকবেন। কিন্তু এগুলা বেশি পড়তে যেয়ে অনেকে প্রশ্নের ব্যসিক উত্তর ভুলে যায়। ব্যসিক ভুল লিখে এসব দিয়ে উত্তর করে কি লাভ?
তাই ব্যসিক ক্লিয়ার করে কোটেশন, ডাটা, গ্রাফ, চার্ট, ম্যাপ ইত্যাদিতে মন দিতে পারেন।
No comments:
Post a Comment