বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ - Jobs Study

Reliable and trusted site, most common questions for competitive exam-BCS Exam Preparation, Bank Exam Preparation, Govt Job Preparation, Private Jobs, NTRCA Exam Question Solution, University Admission Question, Non Cadre Exam Preparation, Primary School Teacher Exam Questions and Answer.

https://www.toprevenuegate.com/uy05hjthep?key=787ad49ab5c48d1e4b289e61ff5d6eae

Wednesday, March 25, 2020

বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ

ভাষা: মানুষ মনের ভাব প্রকাশের জন্য যেসব অর্থবোধক ধ্বনি উচ্চারণ করে, তাকে ভাষা বলা হয়।

মনের ভাব অন্যের কাছে প্রকাশ করার জন্য যেসব অর্থবোধক ধ্বনি উচ্চারণ করা হয়, তা-ই মানুষের ভাষা। কথা বলার জন্য যেসব ধ্বনি ব্যবহার করা হয় তার কোনো না কোনো অর্থ থাকতে হয়। ধ্বনির অর্থ না থাকলে তা কখনই ভাষা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।
ভাষার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন, মানবজাতি যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমূহ দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে, তার নাম ভাষা।
মানুষের মুখ থেকে ধ্বনি ভাষা হিসেবে বাগযন্ত্র দিয়ে বেরিয়ে আসে। এই বাগযন্ত্র বা কথা বলার যন্ত্র বলতে মানুষের গলা, দাঁত, মাড়ি, জিব, ঠোঁট, নাক, তালু, মুখের গর্তএসব বোঝায়। গলা থেকে মুখ দিয়ে বাতাস বেরিয়ে মুখের নানা জায়গায় আঘাত খেয়ে বিভিন্ন রকম ধ্বনির সৃষ্টি করে। এই ধ্বনির অর্থ থাকলে তা হয়ে ওঠে ভাষা।
মুখ থেকে বেরিয়ে আসা কয়েকটি ধ্বনির অর্থবোধক মিলনে শব্দ গঠিত হয়। এই শব্দের মাধ্যমে মানুষ মনের ভাব প্রকাশ করে। শব্দের অর্থ না থাকলে একজনের মুখের ধ্বনি অন্য লোকে বুঝতে পারে না। বুঝতে না পারলে সে ধ্বনি বা শব্দকে ভাষা বলা যাবে না। পশুর মুখের ধ্বনি মানুষ বোঝে না। সে জন্য পশু বা পাখির ডাক ভাষা নয়। কখনো কখনো ইঙ্গিত দিয়েও মনের ভাব প্রকাশ করা যায়, কিন্তু তা ভাষা বলে বিবেচিত হতে পারে না। ভাষার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদান হয়। ভাষা মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম।
ভাষার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলা যায়, ভাষা হলো ভাবের বাহন। ধ্বনির মাধ্যমে তা উচ্চারিত হয়। এসব ধ্বনির অর্থ থাকে। বিশেষ জনসমাজে বিশেষ ভাষা ব্যবহূত হয়। অর্থাৎ সারা পৃথিবীতে মানুষ নানা রকম ভাষায় কথা বলে। একেক দেশে একেক রকম ভাষা। যেমনবাংলাদেশের ভাষা বাংলা, জাপানের ভাষা জাপানি। আবার কোনো কোনো দেশের মধ্যে অনেক ভাষা প্রচলিত আছে। তখন সে দেশের একেক অঞ্চলের লোকেরা একেক ভাষায় কথা বলে। অনেক দেশে আবার একটি ভাষা প্রচলিত আছে। যেমনইংরেজি। বিশ্বের বহু দেশে ইংরেজি ভাষা ব্যবহূত হয়। সারা দুনিয়ায় আড়াই হাজারের বেশি ভাষা প্রচলিত আছে।
বাংলা ভাষা: বাংলাদেশের মানুষ যে ভাষায় কথা বলে, তার নাম বাংলা ভাষা। বাংলা ভাষা বাংলাদেশের বাইরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরায় এবং আরও কিছু জায়গায় প্রচলিত আছে। সমগ্র বাঙালি জাতির মাতৃভাষা বাংলা। পৃথিবীর প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে। ভাষাভাষী জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাকে বিশ্বে চতুর্থ স্থানীয় ভাষা বলে অনুমান করা হয়। বাংলা ভাষার উৎ পত্তি হয়েছে সপ্তম শতাব্দীতে। কেউ কেউ এর উৎ পত্তিকাল আরও পরে বলে মনে করেন। ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষাগোষ্ঠীর এই ভাষা আর্য শাখার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় রূপ লাভ করেছে।
বাংলা ভাষা তার জন্মের পর থেকে বিভিন্ন পরিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমানকাল পর্যন্ত এসে পৌঁছেছে।

 প্রথম থেকে বর্তমানকাল পর্যন্ত সময়ের বাংলা ভাষাকে তিন যুগে ভাগ করা হয়। যেমন
প্রাচীন যুগ: ৬৫০ থেকে ১২০০ সাল পর্যন্ত।
মধ্যযুগ: ১২০০ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত।
আধুনিক যুগ: ১৮০০ থেকে বর্তমান পর্যন্ত।

বাংলা ভাষার বিভিন্ন রূপ বা রীতি:
বাংলা ভাষা প্রকাশের দুটি প্রধান রূপ বা রীতি আছে
১. কথ্যবলার ভাষা। ২. লেখ্যলেখার ভাষা।
প্রমিত কথ্য ভাষারীতি: কথ্য ভাষারীতি কালক্রমে মার্জিত হয়ে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটা রূপ লাভ করেছে। সেটা শিক্ষিত লোকের ভাষা বা কথ্য ভাষা। একেই বলে প্রমিত কথ্য ভাষারীতি।
বাংলা লেখ্য ভাষারীতি: বাংলা লেখ্য ভাষারীতি দুই প্রকার। একটি সাধু এবং আরেকটি চলিত।
১. সাধু ভাষারীতি: লেখ্য ভাষারীতি কেবল লেখার কাজে ব্যবহূত হয়। যেমনআমি তাহাকে পড়িতে বলিব। সাধু ভাষার রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পূর্ণ রূপে ব্যবহূত হয়। যেমনকরিয়াছি, খাইয়াছি, তাহারা, তাহাদের ইত্যাদি।
২. চলিত ভাষারীতি: প্রমিত কথ্য ভাষারীতি অবলম্বনে বাংলা ভাষার একটি লেখ্যরীতি গড়ে উঠেছে। একেই বলে চলিত ভাষারীতি। যেমনআমি তাকে পড়তে বলব।
চলিত ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহূত হয়। যেমনকরেছি, খেয়েছি, তারা, তাদের ইত্যাদি
সাধুরীতির বৈশিষ্ট্য: ১. পূর্ণ ক্রিয়াপদ। যেমন: পড়িতেছি, যাইতেছি।
২. পূর্ণ সর্বনাম। যেমন: উহারা, উহাদের।
৩. অব্যয়ে তৎসমরূপ। যেমন: তথাপি, যদ্যপি।
৪. তৎসম শব্দবহুল ও গুরুগম্ভীর।
চলিতরীতির বৈশিষ্ট্য: ১. সংক্ষিপ্ত ক্রিয়াপদ। যেমন: পড়ছি, খাচ্ছি।
২. সংক্ষিপ্ত সর্বনাম। যেমন: ওরা, ওদের।
৩. অব্যয়ের তদ্ভবরূপ। যেমন: তবু, যদিও।
৪. তদ্ভব শব্দবহুল তথা উচ্চারণে হাল্কা।
সাধুরীতি ও চলিতরীতির পার্থক্য: সাধু ও চলিতরীতির মধ্যে নানা দিক থেকে পার্থক্য আছে। উভয়ের বৈশিষ্ট্য থেকে পার্থক্য জানা যায়। এই দুই রীতির পার্থক্য প্রধানত ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের মধ্যে। অন্যান্য দিকেও কিছু পার্থক্য রয়েছে।

সাধু ভাষা ও চলতি ভাষার মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:
১. সাধুরীতিতে ক্রিয়াপদ পূর্ণরূপে ব্যবহূত হয়। যেমন; খাইতেছি, পড়িতেছি ইত্যাদি। চলিতরীতিতে ক্রিয়াপদ সংক্ষিপ্তরূপে ব্যবহূত হয়। যেমন: খাচ্ছি, পড়ছি ইত্যাদি।
২. সাধুরীতিতে সর্বনাম পদ পূর্ণরূপে ব্যবহূত হয়। যেমন: তাহারা, তাহাদের ইত্যাদি। অন্যদিকে চলিতরীতিতে সর্বনাম পদ সংক্ষিপ্তরূপে ব্যবহূত হয়। যেমন: তারা, তাদের ইত্যাদি।
৩. সাধুরীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ বেশি ব্যবহূত হয়।
যেমন: দন্ত, পৃষ্ঠ ইত্যাদি। অন্যদিকে চলিতরীতিতে তদ্ভব শব্দ বেশি ব্যবহূত হয়। যেমন: দাঁত, পিঠ ইত্যাদি। এ কারণে সাধুরীতি গুরুগম্ভীর শব্দ ব্যবহারে গাম্ভীর্যপূর্ণ এবং চলিতরীতি হালকা শব্দ ব্যবহারের ফলে হালকা চালের অধিকারী। চলিতরীতিতে দেশি ও বিদেশি শব্দ বেশি ব্যবহূত হয়।
৪. সাধুরীতিতে অনুসর্গ হইতে, থাকিয়া প্রভৃতি পূর্ণরূপে প্রয়োগ হয়। অন্যদিকে চলিতরীতিতে তা হতে, থেকে প্রভৃতি ছোট আকারে ব্যবহূত হয়।
৫. অব্যয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধুরীতিতে তৎসম এবং চলিতরীতিতে তদ্ভবরূপ বর্তমান থাকে।
যেমন: সাধুরীতিতে তথাপি, যদ্যপি এবং চলিতরীতিতে তবু, যদি প্রভৃতি রূপে ব্যবহূত হয়।
৬. ধ্বনি পরিবর্তন সাধুরীতিতে কম, চলিতরীতিতে বেশি। সে জন্য সাধুরীতি কৃত্রিম ও পুরোনো এবং চলিতরীতি জীবন্ত ও আধুনিক।
# সাধু ও চলিতরীতির ক্রিয়াপদের পার্থক্যের কিছু নমুনা:
সাধু চলিত
পড়িতেছি পড়ছি
পড়িয়াছি পড়েছি
পড়িল পড়ল
পড়িও পড়ো
পড়িতাম পড়তাম
পড়িয়াছিলাম পড়েছিলাম
পড়িব পড়ব
পড়িতে থাকিব পড়তে থাকব

# সাধু ও চলিতরীতিতে সর্বনাম পদের পার্থক্যের কিছু নমুনা:
সাধু চলিত
আমাদিগের আমাদের
কাহাদিগের কাদের
তোমাদিগের তোমাদের
তাহাদিগের তাদের
তাহাদের তাদের
তাহারা তারা
তাহাকে তাকে
তাহা তা
তাহাতে তাতে
কাহাকে কাকে
কাহারা কারা
যাহাকে যাকে
যাহারা যারা
ইহাদিগের এদের
যাহাদিগের যাদের
উহাদের ওদের
উহারা ওরা
যাহাদের যাদের
উহাদিগের ওদের
সাধুরীতির উদাহরণ:
১. চলন্ত বাস হইতে এক জায়গায় দেখিতে পাইতেছি, রাস্তা ধরিয়া বিপরীত দিক হইতে সামনে আগাইয়া আসিতেছে যেন রাশি রাশি জোনাকি পোকা।
২. কয়েক দিন পূর্ব হইতেই উৎসাহে তাহার রাত্রে ঘুম হওয়া দায় হইয়া পড়িয়াছিল, দিন গুনিতে গুনিতে অবশেষে যাইবার দিন আসিয়া গেল।
৩. সেবার তাহাদের রাঙা গাইয়ের বাছুর হারাইয়াছিল। নানা জায়গায় খুঁজিয়া দুই-তিন দিন ধরিয়া কোথাও পাওয়া যায় নাই।
চলিতরীতির উদাহরণ:
১. তারপর থেকে বাংলা ভাষায় সাহিত্য সৃষ্টি চলে এসেছে নানা ধারায় বিচিত্র রূপে। তার মধ্যে প্রধান ধারাটি হচ্ছে গীতিকবিতা।
২. বাইরের ছবি দেখে, কাঠের অক্ষর দিয়ে খেলা করতে করতে শব্দ তৈরি করতে শেখে।
৩. জমি থেকে পাট কেটে ফেলার পরও ঝামেলা পোহাতে হয় অনেক।
আঞ্চলিক ভাষারীতি:
আগেই বলেছি, দেশের অঞ্চলভেদে মুখের ভাষার যে আলাদা আলাদা রূপ দেখা যায়, তাকে আঞ্চলিক ভাষা বলে। কোনো একটি ভাষা কোনো বড় অঞ্চলে অনেক লোকের মুখের ভাষা হয়ে থাকে। সেই বড় অঞ্চলটির ভিন্ন ভিন্ন অংশে এই ভাষার বেশ পরিবর্তন ও পার্থক্য দেখা যায়। অঞ্চলবিশেষে প্রচলিত ভাষাকে বলা হয় আঞ্চলিক ভাষা। আঞ্চলিক ভাষাকে উপভাষাও বলা হয়ে থাকে।
মুখে মুখে যেসব কথা বলা হয়, তা দেশের সব এলাকায় এক রকম নয়। অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য নিয়ে মুখের কথার মধ্যে ভিন্নতার সৃষ্টি হওয়ায় অঞ্চলের প্রচলিত ভাষাকে আঞ্চলিক ভাষা নাম দেওয়া হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, সিলেটএসব বৃহত্তর জেলার নিজস্ব ভাষারীতিতে আঞ্চলিক ভাষার পার্থক্য বোঝা যায়। আঞ্চলিক ভাষা এক অঞ্চলে এক রকম, অন্য অঞ্চলে অন্য রকম। লিখিত ভাষার যেমন একটা নির্দিষ্ট রূপ আছে, আঞ্চলিক ভাষায় তা নেই। এর ফলে এক অঞ্চলের ভাষা অন্য অঞ্চলের লোকের বুঝতে অসুবিধা হয়।
আঞ্চলিক ভাষারীতির নমুনা:
চলিত আঞ্চলিক
করে কর‌্যা
হয়ে হয়্যা
করব করবাম
বলে বইল্লা
উঠে উইঠঠা
ঘরে গরত
বলব বলিমু, কমু
আমাদের আমরার, হামার
তোমাদেরকে তোমরারে
খেতাম খাইতাম
তিনি তাইন
আমি মুই, আঁই
আমাদের আমাগো, মোগো।


গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর (বাংলা ব্যাকরণ) :-

১) ব্যাকরণের উচ্চতর পর্যায়ে আলোচিত হয় কোনটি? = অর্থ তত্ত্ব
২) নিচের কোনটি বাংলা ব্যাকরণের শাখা নয়? = ভূতত্ত্ব
৩) ব্যাকরণ" কোন ভাষার শব্দ? = সংস্কৃত
৪) ব্যাকরণের প্রধান কাজ হচ্ছে? = ভাষার বিশ্লেষণ
৫) সন্ধি, ব্যাকরণের কোন অংশের অালোচ্য বিষয়? = ধ্বনিত্ব
৬) ক্রিয়ামূল, ক্রিয়ারকাল ও পুরুষ ইত্যাদি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়? = রূপতত্ত্ব
৭) ব্যাকরণের কোন অংশে "কারক" সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়? = রূপতত্ত্বে
৮) বচন" ব্যাকরণের কোন অংশের অালোচ্য বিষয়? = রূপতত্ত্বে
৯) গৌড়ীয় বাংলা ব্যাকরণ " রচনা করেছেন? = রাজা রামমোহন রায়,
১০) রাজা রামমোহন রায়, রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থটির নাম কি? = গৌড়ীয় ব্যাকরণ
১১) বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন? = ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাও
১২) বাংলা ব্যাকরণ প্রথম রচনা করেন? = এন বি হ্যালহেড
১৩) কে সর্বপ্রথম বাংলা টাইপ সহযোগে বাংলা ব্যাকরণ মুদ্রণ করেন?= বঅসি হ্যালহেড
১৩) বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা? = রামমোহন রায়
১৪) রাজা রামমোহন রচিত বাংলা ব্যাকরণ নাম কি? = গৌড়ীয় ব্যাকরণ
১৫) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ কে লিখেন? = ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১৬) "ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ" কে রচনা করেন? = সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
১৭) পাণিনি কে ছিলেন? = বৈয়াকরণিক
১৮) বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন কে?= রাজা রামমোহন
১৯) কোনটি ঠিক? = ব্যাকরণ ভাষার অনুগামী
২০) ব্যাকরণ মঞ্জরী কার লেখা? = ড.মুহম্মদনএনামুল হক
২১) ব্যাকরণ শব্দের সঠিক অর্থ কোনটি? = বিশেষ ভাবে বিশ্লেষণ
২২) ব্যাকরণগত দিক থেকে কোন শব্তটা সঠিক? = সঞ্চিতা, সঞ্চয়িতা
২৩) ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ " কে রচনা করেন?= সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
২৪) বাংলা ব্যাকরণ প্রথম রচনা করেন? = পর্তুগিজ ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন "ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁও (১৭৪৩সালে)। বাংলা ব্যাকরণ দ্বিতীয় গ্রন্থ রচনা করেন ১৭৭৮ সালে এন বি হ্যালহেড (ইংরেজি ও বাংলা ভাষায়)
২৫) ব্যাকরণের প্রধান কাজ হচ্ছে? = ভাষার বিশ্লেষণ।
২৬) যিনি ভালো ব্যাকরণ জানেন তিনি হলেন? = বৈয়াকরণ
২৭) ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান বাংলা ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়? = ধ্বনিতত্ত্ব
২৮) ক্রিয়ামূল, ক্রিয়ার কাল, ও পুরুষ ইত্যাদি ব্যাকরণের কোন অংশের বিষয়? = রূপতত্ত্ব
২৯) গৌড়ীয় বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেছেন? = রামনারায়ণ তর্করত্ম
৩০) বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে কোন পদ ছাড়া বাক্য গঠন করা যায় না? = ক্রিয়া পদ
৩১) ইংরেজি ব্যাকরণের Adverb কে বাংলা ব্যাকরণে বলে? = ভাববিশেষণ
৩২)পাণিনি কে ছিলেন? = বৈয়াকরণিক
৩৩)ব্যাকরণ ভাষাকে নির্দেশ করে? = ব্যাকরণ ভাষাকে বর্ণনা করে
৩৪) ভাষার অভ্যন্তরীণ নিয়ম শৃঙ্খলার আবিষ্কারের নামই? = ব্যাকরণ
৩৫)ব্যাকরণ শব্দের ব্যুৎপত্তি কোনটি?= বি+আ+/কৃ+অন
৩৬) বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণবিদ কে ছিলেন? = মনোএর ডি আস্সুম্পাসাঁও
৩৭)ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ কে রচনা করেন? = সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
৩৮)মুগ্ধবোধং ব্যাকরণম্" গ্রন্থটির রচয়িতা কে?= বোপদেব গোস্বামী
৩৯)ব্যাকরণের কোন অংশে বর্ণমালার বিষয় আলোচিত হয়? = ধ্বনিতত্ত্বে
৪০) ব্যাকরণ শব্দটি হলো? = তৎসম
৪১) ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রণীত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম কি? = ব্যাকরণ কৌমুদী
৪২) অলি-গলি " শব্দটিকে ব্যাকরণের সংজ্ঞায় বলে হয়? = দ্বিরুক্ত অনুচর শব্দ
৪৩)ব্যাকরণ" শব্দের সঠিক অর্থ কোনটি? = বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
৪৪) বাগধারা ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়? = বাক্যতত্ত্ব
৪৫) ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলে? = ফলা
৪৬) -কার' কিসের চিহ্ন? = স্বরধ্বনির সংক্ষিপ্ত
৪৭) শব্দ, শব্দের গঠন, বচন, লিঙ্গ, কারক ইত্যাদি কোন তত্ত্বের আলোচ্য বিষয়? = রূপ তত্ত্ব
৪৮) সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়? = ধ্বনিতত্ত্ব
৪৯) বাংলা ব্যাকরণ প্রথম যে ভাষায় লেখা হয়?= পুর্তুগিজ
৫০) নিচের কোনটি সাধুরীতির উদাহরণ? = তুলা, বন্য
৫১) ভাষার প্রধান উপাদন? = শব্দ
৫২) ভাষার মৌলিক উপাদান কোনটি? = ধ্বনি
৫৩) বর্ণ হল? = ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক
৫৪) শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশকে বলা হয়? = বর্ণ
৫৫) ভাষার মূল উপাদান হ'ল? = ধ্বনি, শব্দ বাক্য
৫৬) রাজ রামমোহন রায় প্রাণীত ব্যাকরণের নাম কি? = গৌড়ীয় ব্যাকরণ
৫৭) বাক্যের মৌলিক উপাদান কোনটি? = শব্দ
৫৮) কে দার্শনিক - বিচারমূলক ব্যাকরণকে ব্যাকরণের একটি শ্রেণি বলে মনে করেন? = ড.মুহম্মদ এনামুল হক,
৫৯) শব্দের অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রাংশকে কী বলা হয়? = বর্ণ।
৬০) কোন শব্দটি ব্যাকরণের আলোচ্যসূচিতে পড়ে না?= মনস্তত্ত্ব
৬১) গুরুচণ্ডলী দোষদুষ্ট শব্দ কোনটি? = শবপোড়া
৬২) সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়? = ধ্বনিতত্ত্ব
৬৩) গৌড়ীয় ব্যাকরণ -কার লেখা? = রামমোহন রায়
৬৪) ভাষার মূল উপাদান কোনটি? = ধ্বনি
৬৫) ক্রিয়ার কাল, ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়? = রূপতত্ত্ব
৬৬) ব্যাকরণ শব্দের সঠিক অর্থ কোনটি? = বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
৬৭) ব্যাকরণের কোন অংশে কারক ও সমাস আলোচিত হয়? = শব্দ তত্ত্বে
৬৮) অক্ষয় বা তার চিহ্নকে বলে? = বর্ণ
৬৯) সাধু ভাষ ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য? = ক্রিয়া পদের ও সর্বনামে
৭০) শব্দের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি? = ধ্বনি
৭১) কোনটি প্রাচীন বাংলা ব্যাকরণ? = গৌড়ীয় ব্যাকরণ
৭২) সারাংশ বা সারমর্ম সাধারণত কয়টি অনুচ্ছেদ লিখতে হয়? = একটি
৭৩) বাংলা ব্যাকরণ প্রথম কোন ভাষায় লেখা হয়? = পুর্তুগিজ
৭৪) ব্যাকরণের কাজ কি? = ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আবিষ্কার করা
৭৫) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ প্রথম কে লেখেন? = উইলিয়াম কেরি
৭৬) রামমোহন রায় এর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম কি? = গৌড়ীয় ব্যাকরণ
৭৭) ব্যাকরণ শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ কী? = বিশ্লেষণ
৭৮) বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরধ্বনি কয়টি? = ২ টি
৭৯) সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?= ধ্বনিতত্ত্বে
৮০) নিচের কোনটি ব্যাকরণের পাণিনি ধারা? = শাকতায়নী
৮১)
Vocabulary Em Idioma Bengalla E portuguez :Dividio Emduas parts বইটি মুদ্রিত হয় কোন হরফে? = রোমান
৮২) ড.মুহাম্মদ শহীদুলাহ কতসালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হিসাবে নিযুক্ক হন? = ১৯২১ সালে।
৮৩) ব্যাকরণ শব্দদের সঠিক অর্থ কোনটি? = বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
৮৪) ব্যাকরণের কাজরকি? = ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আবিষ্কার করা
৮৫) ব্যাকরণের প্রধান কাজ হচ্ছে? = ভাষার বিশ্লেষণ
৮৬) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ কে লিখেন? = সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
৮৭) ব্যাকরণ -এর মূল ভিত্তি কি? = ভাষা
৮৯) উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানা কোন সালে স্থাপতি হয়েছিল? = ১৪৯৮ খিস্টাব্দে
৯০) কে সর্বপ্রথম বাংলা টাইপ সহযোগে বাংলা ব্যাকরণ মুদ্রণ করেন?= ব্রাসি হ্যালহেড
৯১) কোনটি প্রাচীন বাংলার ক্যাকরণ? = A Grammar of the Bengali Language
৯২) রাজা রামমোহন রায় রচিত ব্যাকরণের নাম কি? = গৌড়ীয় ব্যাকরণ
৯৩) বাংলা ব্যাকরণ প্রথম রচনা করেন?= এন বি হ্যালহেড
৯৪) বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন কে?= মানুয়েল ডি আসসুম্পসাম
৯৫) বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ কে রচনা করেন? = মানুয়েল ডি আসসুম্পসাম
৯৬) ভাষা প্রকাশ বাঙ্গলা ব্যাকরণ কে রচনা করেছেন? =সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
৯৭) ব্যাকরণ কোন ভাষার শব্দ? = সংস্কৃত
৯৮) বাংলা ব্যাকরণের বয়স কত? = ২৫০ বছর
৯৯) ড.মুহাম্মাদ এনামুল হক রচিত ব্যাকরণ নাম? = ব্যাকরণ মঞ্জুরী
১০০) কোন প্রখ্যাত ইংরেজ পন্ডিত ইংরেজিতে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন? = ব্রাসি হ্যালহেড
১০১) কোন বাঙালি বাংলা ব্যাকরণ ইংরেজিতে রচনা করেন? = রাজা রামমোহন রায়
১০২) রাজা রামমোহন রায় রচিত "গৌড়ীয় ব্যাকরণ কত সালে বাংলায় অনূদিত হয়? = ১৮৩৩ সালে।
১০৩) উইলিয়াম কেরি রচিত A Grammar of the Bengali Language গ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়? = ১৮০১ সালে।
১০৪) পর্তুগীজ ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ
Vocabulario em Idioma Bengalla,e portuguez Dividio embduas partes" কে রচনা করেন? = মনোএল দ্য আস্সুস্পসাঁও
১০৫) মানুয়েল ডি আসসুম্পসাম ঢাকার ভাওয়ালে থাকাকালীন প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন কবে? = ১৭৩৪ সালে ।

No comments:

Post a Comment