বিসিএস রিটেন পরীক্ষার প্রস্তুতি (ইংলিশ) - Jobs Study

Reliable and trusted site, most common questions for competitive exam-BCS Exam Preparation, Bank Exam Preparation, Govt Job Preparation, Private Jobs, NTRCA Exam Question Solution, University Admission Question, Non Cadre Exam Preparation, Primary School Teacher Exam Questions and Answer.

https://www.toprevenuegate.com/uy05hjthep?key=787ad49ab5c48d1e4b289e61ff5d6eae

Saturday, April 4, 2020

বিসিএস রিটেন পরীক্ষার প্রস্তুতি (ইংলিশ)

ইংলিশ নিয়ে লেখার আগে একটা বিষয় জানাতে চাই যা আমার অভিজ্ঞতা থেকে বুঝেছি।বিসিএস রিটেন পরীক্ষা যেমন বিসিএস ক্যাডার নির্ণয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ তেমনি রিটেন পরীক্ষার মধ্যে কেবল ইংলিশ যোজন যোজন তফাত তৈরি করে দেয় প্রতিযোগীদের মধ্যে।এখানে যেমন ৭০% মার্কস পাওয়া সম্ভব তেমন ৪০% মার্কস পাওয়াও সহজ।তাই রিটেনের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য ইংলিশকে সর্বোচ্চ প্রায়োরেটি দেওয়া উচিত।এবার ইংলিশ ১ম ২য় পত্রের সিলেবাস কেন্দ্রিক প্রস্তুতি কৌশল নিয়ে আলোচনা করি-


----------ইংরেজি ১ম পত্র----------
(
মার্কসঃ১০০)
সিলেবাস-
1)Reading Comprehension
Comprehension
কি তা আমরা কম বেশী সবাই জানি।একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর লিখিত অনুচ্ছেদ। এখানে দুটি অংশে প্রশ্ন করা হবে-
a)A number of thematic questions that will test their understanding of passage (30 marks)

সোজা কথাই বলতে গেলে বিভিন্ন আইটেমের কিছু প্রশ্ন থাকবে(অনেকটা IELTS Reading এর মত) যা মূলত প্রদত্ত Comprehension এর উপর ভিত্তি করে করা হবে।
এই অংশে ভাল করার জন্য Saifur's or Mentors এর IELTS Reading বইটা পড়তে পারেন।
সেই সাথে সহজেই Comprehension এর থিম বুঝা,স্ক্যানিং,স্কিমিং,Less eye fixation or Clause to clause পড়ার মত টেকনিকগুলো (যা দ্রুত উত্তর করার জন্য সহায়ক) জানতে S.M. Zakir Hussain এর "Tactics for Effective Reading and Critical Thinking " বইটা ফলো করতে পারেন।বইটি খুব কাজের।
b)A number of questions related to grammar and usages (30 marks)
এখানে Parts of speech, Tense,voice,sentence, narration, conditionals,Articles, Appropriate preposition, Subject verb agreement এর মত সহজ বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হয় যা Chowdhury and Hussain এর Intermediate English Grammar বা Saifur's Newest Grammar ফলো করলেই যথেষ্ট হবে।
2) Summary (20 marks)
প্রদত্ত অনুচ্ছেদটির একটা সারমর্ম লিখতে হবে।সাধারণত সামারি প্রদত্ত অনুচ্ছেদের এক-তৃতীয়াংশ হলে ভাল হয়।সামারি লেখার অভ্যাস গঠনের জন্য প্রতিদিন "Daily Star" এর Editorial অংশ ভালভাবে পড়ুন এবং তার সামারি তৈরি করুন।মনে রাখবেন সামারিতে মূল থিমটাই ফোকাস করতে হবে,কোন ধরনের ব্যক্তিগত মতামত দেওয়া যাবে না।আশা করি দু তিন সপ্তাহ প্র্যাকটিস করলে মান সম্মত সামারি লেখা শিখে ফেলবেন।
3) Candidates will have to write a letter relating to thematic issue of the given passage to the editor of an english newspaper(20 marks)

ধরনের লেটার প্র্যাকটিস করতে প্রফেসরস রিটেন গাইড ফলো করতে পারেন।
---------
ইংরেজি ২য় পত্র---------
(
মার্কসঃ১০০)
সিলেবাস
1) Essay (50 marks)
এখানে একটা নির্দিষ্ট ইস্যু নিয়ে এমনভাবে রচনা লিখতে হবে যাতে সমসাময়িকতার ছাপ থাকবে।অতএব এই অংশে তথ্যের যথাযথ সন্নিবেশ এবং প্রায়োগিক ভাষা জ্ঞানের জন্য "Daily Star" ফলো করতে হবে।বিশেষ করে Daily Star এর National, International,Editorial, Sub editorial অবশ্যই পেপার থেকে কেটে সংগ্রহ করে রাখতে পারেন এবং গুরুত্বের সাথে অধ্যয়ন করলে রচনা লিখার কাঁচামাল পেয়ে যাবেন।
এখন এই কাঁচামালগগুলোকে ব্যাকরণ সঠিক শব্দ বিন্যাসে অলংকৃত করতে ফলো করতে পারেন "Saifur's IELTS Writing " এই বইটি সেই সাথে আরও ভাল হয় যদি S.M. Zakir Hussain রচিত "Effective Writing Skills For Advanced Learners " বইটি পড়তে পারেন।
আপনি যতই Grammar জানুন আর নিউরণে হাজার গিগা বাইট(!) তথ্য বহন করুন না কেন যদি "Free hand writing skill" না থাকে তবে পরীক্ষার হলে হঠাৎ করে কোন ইস্যু নিয়ে রচনা লিখতে পারবেন না।তাই এই অংশের জন্য "Free hand writing skill " খুব গুরুত্বপূর্ণ।
Free hand writing skill
বাড়ানোর জন্য আমি যে কাজটি করতাম তা হল ডায়েরি লেখা এবং তা অবশ্যই ইংলিশে লিখতাম।সারাদিন কি কি কাজ করেছি তা দু তিন পৃষ্ঠায় লিখে ফেলার চেস্টা করতাম প্রয়োজনীয় ভোকাবুলারি আর যথাযথে গ্রামার প্রয়োগে।কিছু লেখায় ভূল থেকে যেত যা এক্সপার্টদের সহযোগিতা নিয়ে শুধরে নিতাম।এই টেকনিকটা হয়ত আপনাদের কাজে আসতে পারে।আর একটি কথা,কখন আপনি বুঝবেন আপনার Free hand writing skill আছে?যখন আপনি ইংলিশে লিখতে গিয়ে প্রথমে বাক্যগুলো বাংলায় চিন্তা না করে ইংলিশে চিন্তা করতে পারবেন তখন বুঝবেন আপনি Free hand writing পারদর্শী।
2)Translation from English into Bangla and Bangla into english (25+25):
এই অংশের জন্য Daily star এর Editorial, আপনার প্রিয় কিছু ইংলিশ নোবেল বা গল্পের অনুবাদ করুন বাংলায় আর প্রথম আলোর সম্পাদকীয়, পছন্দের বাংলা গল্প,উপন্যাস(যেমন হুমায়ন আহমেদ স্যারের সাহিত্যকর্মগুলো) ইংলিশে ট্রান্সলেট করুন
বিসিএস লিখিত প্রস্তুতি -ইংরেজি (পর্ব- ০২)

প্রিলি-রিটেনের রেজাল্টের পর বারবার পিডিএফ ওপেন করে নিজের রোলটা চেক করতাম। আর ৩৭ তম চূড়ান্ত ফলের পর তো পরমানন্দে চোখ হতে ঘুমই চলে গিয়েছিল কিছু দিনের জন্যে। সে কী এক অসামান্য আনন্দ তার কিছুটা আজ হয়তো কেউ কেউ টের পাচ্ছেন যারা প্রথম বারের মতো প্রিলি পাস করলেন। তাদের জন্যই আমার লেখা।
যারা প্রথমবার রিটেন দিচ্ছেন বা প্রিলি পাস করবেন কিনা নিশ্চিত ছিলেন না, তাদের সম্ভবত তেমন কিছুই পড়াশোনা করা হয় নি। ধরে নিই, কিছুই পড়াশোনা হয় নি। তাহলে সহজে পরামর্শ দেওয়া নেওয়া যাবে।
ধরুন, আপনি সর্বোচ্চ চার মাস সময় পাবেন রিটেন প্রস্তুতি নেবার জন্য। এর বেশি সময় পেলে সেটা হবে বোনাস। যেখানে স্ট্র্যাটেজিক মেথডে না এগোলে এই বিশাল সিলেবাসের সমুদ্রে ডুবে যাবার রয়েছে সমূহ সম্ভাবনা।
সে কারণেই আপনার প্রিপারেশন নেওয়ার ধরণ হতে হবে qualitive, not quantative. বেশি পড়বেন ঠিক আছে তবে বুঝে-শুনে। সবসময় যা পড়বেন, তা খাতায় কিভাবে প্রেজেন্ট করবেন সেটা ভেবে পড়া উচিত।
এখানে আমি বিষয়ভিত্তিক কিছু বইয়ের সাজেশন্স দিবো। পাশাপাশি আমার অভিজ্ঞতার আলোকে গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করব।
ইংরেজি
বই / গাইড :
() অ্যাসিউরেন্স (ইংরেজি)
() একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ইংরেজি প্রথম পত্র বই
() Saifur's হাতে-কলমে Composition Writing & Translation (ঐচ্ছিক)
২০০ নম্বরের ইংরেজি পরীক্ষায় আপনার টার্গেট মার্কস হতে পারে এমন :
Thematic questions:18-22 (30)
Grammar & Usage: 20-25 (30)
Summary: 12-14 (20)
Letter to the Editor: 12-14 (20)
Essay: 28-35 (50)
Translation (Bangla): 15-18 (25)
Translation (English): 15-18 (25)
Total: 117-143
এখানে আমি দুই ধরনের টার্গেট মার্কস দিয়েছি। কারো জন্য ১১৭, আবার কারো কারো জন্য ১৪৩। ইংরেজিতে যাদের খুব দুর্বলতা থাকে তাদের ১০০ নম্বরেরও নিচে পেতে দেখা যায়। আবার পরীক্ষায় ১৪৫ নম্বর পেয়েছেন এমনও আছে।
অর্থাৎ বুঝতেই পারছেন বিসিএস রিটেন পরীক্ষায় নম্বর পাবার সবচেয়ে বেশি বৈষম্য তৈরি হয় এই ইংরেজি পরীক্ষায়। তাই ইংরেজিকে অনেকেই বলেন ক্যাডার নির্ধারণী পরীক্ষা। ইংরেজি পরীক্ষা খারাপ দিয়ে লিখিত পরীক্ষা ছেড়ে দেওয়ারও বহু নজির আছে। তাই ব্যাকগ্রাউন্ড যাই থাকুক না কেনো, নবীনদের শুরু থেকেই ইংরেজি বিষয়ে এক্সট্রা অ্যাটেনশন দেওয়া উচিত।
যাদের ইংরেজিতে দুর্বলতা রয়েছে, শুরুতেই তাদের যা করা উচিত নয় :
* vocabulary, synonym, idioms মুখস্থ করা
* পত্রিকার আর্টিকেল ট্রান্সলেশন করা
* অতিরিক্ত গ্রামার চর্চা করা
এতে প্রচুর সময় অপচয় হবে। কাজের কাজ কিছুই হবে না।
আমি সবসময়ই মনে করি একটি ভাষা শিখতে হলে সে ভাষাটি আগে পড়তে হবে এবং ফ্রি হ্যান্ড প্রাকটিস করতে হবে। কয়েকটি ধাপে আপনাদের করণীয় কী হতে পারে তার একটা খসড়া আমি নিচে উল্লেখ করছি। আপনাদের সক্ষমতার সাথে আমার দিকনির্দেশনা অ্যাডজাস্ট করে নিবেন।
[[ধাপ-০১ (প্রথম মাস)]]
* সপ্তাহে - দিন আপনার পড়ার রুটিনে ইংরেজির জন্য অতিরিক্ত ঘণ্টা সময় রাখা উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী এই তিন চার মাস সময়ের ভেতর কম-বেশি ২০ দিন সময় রাখতে পারেন শুধুই ইংরেজির জন্য।
* শুরুতেই একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির 'English for Today' বইটি পড়ে ফেলুন। বইটি বেশ কার্যকরী। অজানা শব্দগুলোর অর্থ ডিকশনারি হতে বের করুন এবং বইটিতেই আন্ডারলাইন করে অর্থ লিখে রাখুন। কিছুদিন পর বইটি আবার রিভাইস দিন। যত বেশি রিভাইস দিবেন অটোমেটিকলি আপনার ভোকাবলারি সমৃদ্ধ হবে।
* অ্যাসিউরেন্স গাইডের ট্রান্সলেশন অংশ হতে চর্চা করুন। বাংলা থেকে ইংরেজি এবং ইংরেজি হতে বাংলা দু'টোই করবেন। এবং বইয়ের উত্তরের সাথে মেলাবেন এবং সেখান হতে নতুন নতুন word, phrase, preposition এর ব্যবহার ইত্যাদি দাগিয়ে দাগিয়ে শেখার চেষ্টা করবেন।
* Translation-করার সময় Smart Sentence লেখার চেষ্টা করবেন। কোন গ্রামার বই (নবম-দশম শ্রেণির অ্যাডভান্স গাইড) থেকে বাক্য গঠনের নিয়ম (Syntax) এবং Simple- Complex- Compound Sentence লেখার structure-গুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
* অ্যাসিউরেন্স গাইড হতে Noun- Verb- Adjective- Adverb অংশটি অর্থ সহকারে মুখস্থের মতো পড়ুন। কঠিনগুলো হাইলাইটার দিয়ে মার্ক করে রাখবেন। পরে রিভিশন দিতে সহজ হবে। পাশাপাশি সকল শব্দের বানান প্রাকটিস করুন।
[[ধাপ-০২ (দ্বিতীয় মাস)]]
* রিপোর্ট রাইটিং-এর ফরমেটটা ঝালিয়ে নিন। পরীক্ষায় ধরনের ফরমেটে রিপোর্ট আসতে দেখা গেছে। উদাহরণস্বরূপ ৩৫তম ৩৬তম বিসিএসের রিপোর্ট রাইটিং ফরমেট দেখুন। রিপোর্টের ভাষা সাধারণ ভাষার চেয়ে একটু টেকনিক্যাল হয় এবং তথ্যসমৃদ্ধ হয়। এদিকে একটু সজাগ থাকবেন। পাশাপাশি একঘেয়ে রিপোর্ট না লিখে বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করে বিষয়ে আপনার কোনো সুপারিশ বা জানা থাকা কোন ডাটা উপস্থাপন করতে পারেন। আমি অবশ্য বানিয়ে বানিয়ে গ্রাফ/চার্ট ব্যবহার করেছি
* Joining Sentence Punctuation-এর নিয়মগুলো গাইড থেকে দেখে নিন বা কোন শিক্ষকের কাছ হতে শিখে নিন। এগুলো প্রাকটিসের মাধ্যমে ক্লিয়ার করতে হবে। কারণ এখানে ফুল মার্কস পাওয়া সহজ।
* এবার অ্যাসিউরেন্স গাইডের শুরুতে যে মডেল কোয়েশ্চেন আছে এবং ৩৫তম বিসিএস হতে ৩৮তম বিসিএস পর্যন্ত রিটেন কোয়েশ্চেনের passage(part-A) অংশগুলো ঘরে বসে বসে পরীক্ষা দিন। এরপর উত্তরের সাথে মিলিয়ে নিজেকে ইমপ্রুভ করুন। কারণ এখানেই ১০০ মার্কস। পাশাপাশি ভোকাবলারি শেখার চেষ্টা করবেন। সম্ভব হলে চর্চায় সপ্তাহে অন্তত একদিন - ঘণ্টা করে সময় দিবেন। এতে ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং প্রাকটিসটাও হবে।
* মডেল কোয়েশ্চেন সলভ করার সময় Words, phrases বা synonym দিয়ে making Sentence এর ক্ষেত্রে বিশেষ নজর রাখবেন। এখানে সচরাচর ১৫ নম্বর আসে। ১২-১৩ অনায়াসে পাওয়া যায়।
>>> আরো যা করা প্রয়োজন :
() এখন synonym/antonym পড়তে পারেন। তবে এখানে ফুল নম্বর আশা করবেন না। অনেক ইংরেজ বিশারদও এখানে ফুল মার্কস পান না।
() শুদ্ধ বানান সঠিক বাক্য গঠন করা ইংরেজি পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দু'টো বিষয়ে লক্ষ্য রাখবেন, না হলে অনেক লিখেও নম্বর কম পাবেন।
() খুব বেশি কমপ্লেক্স বাক্য বা বোম্বাস্টিক ওয়ার্ডস ব্যবহার করতেই হবে এমন টেনডেন্সি অনেকের থাকে।এতে বেশি নম্বর পাবেন বলে তারা ভাবতে পারেন। কিন্তু এটি মোটেও ঠিক নয়। সহজ, প্রচলিত প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপনা করাটাই উত্তম।
>>> যারা খুব ভালো নম্বর পেতে চান :
() Thematic questions গুলোতে নম্বর থাকে। এগুলোর স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড উত্তর দিবেন। আর উত্তরগুলো করার সময় টেকনিক্যাল ওয়ার্ড ছাড়া passage হতে পারত পক্ষে কোন একটি শব্দও ধার করবেন না। নিজের ভাষায় লিখুন। সম্ভব হলে বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করে উপস্থাপনা করুন। উপস্থাপনায় বৈচিত্র্য আনতে সর্বদা চেষ্টা করবেন।
() Grammar & Usage অংশটি বিশেষ চর্চা করবেন। চেষ্টা থাকলে এখানে ৩০ নম্বরে ২৫+ পাওয়া যাবে।
() বাংলা ইংরেজি পত্রিকার সম্পাদকীয় আর্টিকেল ট্রান্সলেশন করলে আপনার ভাষাগত সমৃদ্ধি আসবে। এক্ষেত্রে গ্রুপ ওয়ার্ক করলে উপকার পাবেন।
এবার আসি essay বিষয়ে। রচনা পড়বেন সবার শেষে অথবা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী প্রিপারেশন সম্পন্ন হবার পর।
বিগত বছরের প্রশ্নের আলোকে সাজেশন্স করে ৫টি রচনা পড়লেই সাধারণত কমন পরে। যেহেতু কমন পড়ে, তাই রচনার উত্তর হতে হবে কিছুটা ব্যতিক্রমী। রচনার ভেতর সংশ্লিষ্টতা অনুযায়ী তথ্য-উপাত্ত, কোটেশন, চিত্র, ম্যাপ, গ্রাফ, পাই-চার্ট ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারলে ভালো নম্বর পাবেন। আর যদি ইংরেজি ভাষায় আপনার ভালো কমান্ড থাকে, তাহলে রচনার ৩টি অপশন হতে আনকমন রচনাটি উত্তর করা হতে পারে বুদ্ধিমানের কাজ।
That's all for today. Always try to realize your potentials and boost your imagination.
শুভ কামনায়
সাইফুল হুদা নাজাত
৩৭ তম বিসিএস (প্রশাসন)
ইংরেজিতে ভালো করবেন যেভাবেঃ ইসমাইল হোসেন( প্রশাসন, মেধাক্রম :১ম )
By bekar jibon March 21, 2018 ৪১তম বিসিএস প্রস্তুতি, Top TEN News, চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি 0 Comments
৩৮তম বিসিএস লিখিত প্রস্তুতি নির্দেশনা
ইংরেজিতে ভালো করবেন কিভাবে ?
ইসমাইল হোসেন , বিসিএস ( প্রশাসন, মেধাক্রম :১ম ) ৩৬ তম বিসিএস
বিদেশি ভাষা হওয়ায় অনেকেরই ভীতির জায়গা ইংরেজি। বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অধিক নম্বর পেতে ইংরেজি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনিভাবে লিখিত পরীক্ষায় ধস নামানোর ক্ষেত্রে এটি বড় ভূমিকা রাখে। বিগত বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের অধিকাংশ ইংরেজিতে খারাপ করেছেন বলে শোনা যায়। তাই লিখিত পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়ে কাঙ্ক্ষিত ক্যাডার পাওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজিতে ভালো করার বিকল্প নেই। নিয়মিত অনুশীলন করলে ইংরেজিতে ভালো করা সম্ভব।
নম্বর বণ্টন
বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় সাধারণ এবং টেকনিক্যাল উভয় ক্যাডারের প্রার্থীদের ইংরেজিতে মোট বরাদ্দ ২০০ নম্বর। প্রথম পত্রে ১০০ এবং দ্বিতীয় পত্রে ১০০।
প্রথম পত্রে একটি Unseen Passage থাকে। Passage-এর ওপর ভিত্তি করে ৩০ নম্বরের ১০টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন থাকে। কিছু Grammatical প্রশ্ন থাকে। এতেও বরাদ্দ ৩০ নম্বর। ১টি Summary ১টি Letter থাকে। দুটোতে বরাদ্দ ২০ নম্বর করে। দ্বিতীয় পত্রে থাকে অনুবাদ Easy Writing. ২৫ নম্বরের বাংলা থেকে ইংরেজি (Translation) এবং ২৫ নম্বরের ইংরেজি থেকে বাংলা (Re-Translation) অনুবাদ থাকে। একটি রচনা থাকে, এতে বরাদ্দ ৫০ নম্বর।
নম্বর ভালো পাওয়ার শর্ত
ভালো নম্বর পেতে ৩টি কথা মাথায় রাখুন
শুদ্ধ বাক্য : ইংরেজি বাক্য অবশ্যই শুদ্ধ হতে হবে। অর্থাৎ বাক্যের মধ্যে কোনো Grammatical Error থাকবে না।
শুদ্ধ বানান : বাক্যের মধ্যে কোনো বানান ভুল থাকবে না। প্রতিটি শব্দ যেন নির্ভুল হয়।
জোর দিন ভোকাবুলারিতে : ইংরেজিতে ভালো করতে Vocabulary ওপর দক্ষতা থাকা জরুরি। প্রতিদিন vocabulary অনুশীলন করতে হবে।
উপরিউক্ত ৩টি কথা মাথায় রেখে Simple Sentence- নিজের ভাষায় ইংরেজি লিখে যান। দায়িত্ব নিয়ে বলছি, অবশ্যই ভালো নম্বর আসবে।
ইংরেজি লিখুন প্রতিদিন
ইংরেজি লিখিত পরীক্ষায় মুখস্থ করে কমন পাওয়ার কোনো বিষয় নেই। প্রশ্নানুযায়ী লেখার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে লিখে আসতে হবে। ইংরেজিতে যার লেখার দক্ষতা যত ভালো, সে তত ভালো করবে। লেখার দক্ষতা অর্জনে যেকোনো বিষয়ের ওপর লেখার অনুশীলন করুন। প্রতিদিন অন্তত এক পৃষ্ঠা হলেও ইংরেজি লিখুন। লেখার অভ্যাস থাকলে সহজেই উত্তর করা যায়।
প্রস্তুতি লেখার কৌশল
► Passage
থেকে প্রশ্নের উত্তর লেখার আগে প্রশ্নগুলো ভালোভাবে পড়ে নিন। তারপর চধংংধমবটি পড়ুন। প্রশ্নের উত্তরগুলো নিজের ভাষায় Simple Sentence- লিখুন। Passage থেকে সরাসরি কোনো বাক্য লিখবেন না। -৪টি বাক্যে উত্তর লিখুন। যেকোনো ভালো মানের সহায়ক বই থেকে প্রতিদিন অনুশীলন করতে পারেন। Passage কমন আসে না। তাই যেকোনো বিষয়ে লেখার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
► Grammatical অংশে সাধরণত Meaning of Words, Interchange of Parts of Speech, Joining Sentence, Make Sentence, Punctuation, Passage Narration, Transformation of Sentence ইত্যাদি বিষয়ের ওপর প্রশ্ন থাকে। তবে প্রশ্নগুলো Passage থেকে করা হবে। টু দ্য পয়েন্টে উত্তর লিখতে হবে। ভালো মানের ইংরেজি Grammar বই থেকে নিয়মিত অনুশীলন করলে অংশে ভালো করা যাবে।
► Summary
লেখার ক্ষেত্রে Passageটির মূল কথা বুঝে নিজের ভাষায় লিখতে হবে। নিজের মতো করে সুন্দর শব্দ নির্ভুল বাক্যে ১০০ শব্দের মধ্যে Summary লিখলে বেশি নম্বর পাওয়া যাবে।
► Letter To Editor লেখার ক্ষেত্রে নিয়ম খুব গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক নিয়মে লিখলে ভালো নম্বর পাওয়া যায়। প্রতিদিন ইংরেজি পত্রিকার Letter To Editor অংশ দেখতে পারেন অথবা বিভিন্ন টপিক নিয়ে লেখার চর্চা করতে পারেন।
► Letter To Editor
এবং Summary লেখার ক্ষেত্রে যেহেতু একই Passage-এর ওপর ভিত্তি করে লিখতে হয়, তাই লক্ষ রাখতে হবে, যাতে উভয় টপিকে একই বাক্যের পুনরাবৃত্তি না ঘটে। ভিন্ন ভিন্ন বাক্য লিখলে নম্বর ভালো আসবে।
অনুবাদ অনুশীলনে বেশি সময় দিন। ইংরেজিতে অনুবাদ ভালো নম্বর পেতে সহায়তা করে। প্রতিদিন যেকোনো একটি বাংলা ইংরেজি পত্রিকার সম্পাদকীয় এবং উপসম্পাদকীয় কলাম বুঝে বুঝে অনুবাদ করুন। ভুলগুলো খুঁজে বের করে শুধরে নিন। বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ করার ক্ষেত্রে বাক্য বড় হলে বা ৩টি বাক্যে অনুবাদ করুন। ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ করার ক্ষেত্রে ভাবানুবাদ করুন।
ইংরেজি রচনা লেখার ক্ষেত্রে শুদ্ধ বাক্যে লিখুন। অশুদ্ধ বাক্যে বিশাল পরিধির রচনা না লিখে শুদ্ধ বাক্যে প্রাসঙ্গিক তথ্য-উপাত্ত দিয়ে ছোট পরিধির রচনা লেখাটা অধিক যৌক্তিক। প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত চিত্র দিন। ইংরেজি রচনার জন্য আলাদাভাবে প্রস্তুতি না নিয়ে বাংলা রচনা প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি ইংরেজির জন্যও প্রস্তুতি নিতে পারেন। সমসাময়িক বিষয়াবলি, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, উন্নয়ন প্রকল্প, জলবায়ু, তথ্যপ্রযুক্তি, নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি বিষয়ের ওপর বাংলা ইংরেজিতে রচনা আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
ইংরেজি পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য প্রার্থীর শুদ্ধ ইংরেজি বাক্য তৈরির সক্ষমতা, সঠিক নির্ভুল শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে দক্ষতা যাচাই। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে সাফল্য আসবেই।


#লেখকমোঃ আশিকুর রহমান চৌধুরী
#সহকারী 
কমিশনার  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

No comments:

Post a Comment