এবিসি অফ বিসিএস রিটেন এক্সাম - Jobs Study

Reliable and trusted site, most common questions for competitive exam-BCS Exam Preparation, Bank Exam Preparation, Govt Job Preparation, Private Jobs, NTRCA Exam Question Solution, University Admission Question, Non Cadre Exam Preparation, Primary School Teacher Exam Questions and Answer.

https://www.toprevenuegate.com/uy05hjthep?key=787ad49ab5c48d1e4b289e61ff5d6eae

Wednesday, May 8, 2019

এবিসি অফ বিসিএস রিটেন এক্সাম



তিন পর্বের ধারাবাহিক বিসিএস পরীক্ষার দ্বিতীয় পর্ব হলো লিখিত পরীক্ষা। যারা প্রিলিমিনারি পরীক্ষার উত্তীর্ণ হবেন, শুধু তাঁরাই রিটেন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
রিটেন পরীক্ষার পাস নম্বর ৫০%। প্রতিটি বিষয়ে আলাদা আলাদাভাবে ৫০% নম্বর পেলেই আপনি যেমন পাস করবেন, তেমনি সর্বমোট নম্বরের ৫০% নম্বর পেলেও আপনি পাস করবেন।
আবেদন করার সময় আপনি যদি শুধু "জেনারেল ক্যাডারে" আবেদন করে থাকেন, তাহলে আপনাকে মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। জেনারেল ক্যাডারে যে বিষয়গুলোর উপর পরীক্ষা দিতে হবে, সেগুলো নিম্নরূপ।
১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি = ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০) = ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান = ১০০ নম্বর
................................................
৬ বিষয়ে মোট = ৯০০ নম্বর
................................................
প্রতিটি ২০০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য ৪ ঘণ্টা এবং প্রতিটি ১০০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য ৩ ঘণ্টা সময় থাকবে। ৫০% নম্বর যেহেতু পাস নম্বর, সেহেতু ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব বিষয় মিলিয়ে ৪৫০ নম্বর পেলেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
প্রতিটি বিষয়ে ন্যুনতম ৩০% অর্থাৎ ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় দুই বিষয় মিলিয়ে ন্যূনতম ৬০ নম্বর এবং ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩০ নম্বর পাওয়া দরকার। প্রশ্ন করতে পারেন, কেউ যদি কোন বিষয়ে ৩০% এর কম পায়, তাহলে তিনি কি ফেল করবেন?
না, তিনি ফেল করবেন না। যে বিষয়ে তিনি ৩০% এর কম নম্বর পাবেন, সেই বিষয়ের কোন নম্বর উনার মোট নম্বরের সাথে যোগ হবে না। মনে করুন, কোন পরীক্ষার্থী সাধারণ বিজ্ঞান পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ২৯ নম্বর পেলেন, তাহলে উনার এই নম্বর বাকি পাঁচটা বিষয়ের মোট নম্বরের সাথে যোগ হবে না। ফলে সাধারণ বিজ্ঞানের এই ২৯ নম্বর বাদেই যদি পরীক্ষার্থী বাকি পাঁচটা বিষয়ে ন্যুনতম ৪৫০ নম্বর পান তাহলে তিনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
আবেদন করার সময় আপনি যদি শুধু "টেকনিক্যাল ক্যাডারে" আবেদন করে থাকেন, তাহলেও আপনাকে মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। টেকনিক্যাল ক্যাডারে যে বিষয়গুলোর উপর পরীক্ষা দিতে হবে, সেগুলো নিম্নরূপ।
১। বাংলা প্রথম পত্র = ১০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি = ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০) = ১০০ নম্বর
৬। অনার্সে পঠিত বিষয় = ২০০ নম্বর
................................................
৬ বিষয়ে মোট = ৯০০ নম্বর
................................................
প্রতিটি ২০০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য ৪ ঘণ্টা এবং প্রতিটি ১০০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য ৩ ঘণ্টা সময় থাকবে। ৫০% নম্বর যেহেতু পাস নম্বর, সেহেতু ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব বিষয় মিলিয়ে ৪৫০ নম্বর পেলেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
প্রতিটি বিষয়ে ন্যুনতম ৩০% অর্থাৎ ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় দুই বিষয় মিলিয়ে ন্যূনতম ৬০ নম্বর এবং ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩০ নম্বর পাওয়া দরকার। প্রশ্ন করতে পারেন, কেউ যদি কোন বিষয়ে ৩০% এর কম পায়, তাহলে তিনি কি ফেল করবেন?
না, তিনি ফেল করবেন না। যে বিষয়ে তিনি ৩০% এর কম নম্বর পাবেন, সেই বিষয়ের কোন নম্বর উনার মোট নম্বরের সাথে যোগ হবে না। মনে করুন, কোন পরীক্ষার্থী আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ২৫ নম্বর পেলেন, তাহলে উনার এই নম্বর বাকি পাঁচটা বিষয়ের মোট নম্বরের সাথে যোগ হবে না। ফলে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির এই ২৫ নম্বর বাদেই যদি পরীক্ষার্থী বাকি পাঁচটা বিষয়ে ন্যুনতম ৪৫০ নম্বর পান, তাহলে তিনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
আবেদন করার সময় আপনি যদি "জেনারেল ও টেকনিক্যাল" উভয় (Both) ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন, তাহলে আপনাকে মোট ১১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। বোথ ক্যাডারে যে বিষয়গুলোর উপর পরীক্ষা দিতে হবে, সেগুলো নিম্নরূপ।
১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি = ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০) = ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান = ১০০ নম্বর
৭। অনার্সে পঠিত বিষয় = ২০০ নম্বর
................................................
৭ বিষয়ে মোট = ১১০০ নম্বর
................................................
প্রশ্ন করতে পারেন, যারা শুধু জেনারেল বা টেকনিক্যাল ক্যাডারের জন্য পরীক্ষা দিবেন, তাঁরা ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা দিবেন এবং ৪৫০ নম্বর পেলেই ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন, কিন্তু বোথ ক্যাডারদের তো ১১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে সেক্ষেত্রে তাদের পাস মার্ক কত হবে?
বোথ ক্যাডারের ক্ষেত্রে প্রথমত, জেনারেল ক্যাডারের বিষয়গুলোর ৯০০ নম্বর বিবেচনায় নেয়া হবে। এই ৯০০ নম্বরের মধ্যে প্রার্থী যদি ৪৫০ পান, তাহলে তিনি জেনারেল ক্যাডারের ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি = ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০) = ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান = ১০০ নম্বর
................................................
৬ বিষয়ে মোট = ৯০০ নম্বর
................................................
দ্বিতীয়ত, উল্লিখিত বিষয়গুলোর মধ্যে থেকে বাংলা ২য় পত্র এবং সাধারণ বিজ্ঞানের মোট ২০০ নম্বর বাদ দিন। এগুলোর পরিবর্তে অনার্সে পঠিত বিষয়ের ২০০ নম্বর যোগ করুন। মোটকথা, টেকনিক্যাল ক্যাডারের বিষয়গুলোর ৯০০ নম্বরের মধ্যে প্রার্থী যদি ৪৫০ পান, তাহলে তিনি টেকনিক্যাল ক্যাডারের ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
১। বাংলা প্রথম পত্র = ১০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০) = ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি = ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০) = ১০০ নম্বর
৬। অনার্সে পঠিত বিষয় = ২০০ নম্বর
................................................
৬ বিষয়ে মোট = ৯০০ নম্বর
................................................
যখন কোন প্রার্থী একইসাথে জেনারেল ক্যাডার এবং টেকনিক্যাল ক্যাডারে ভাইভার জন্য নির্বাচিত হোন, তখন আমরা বলি তিনি বোথ ক্যাডারে পাস করেছেন। বোথ ক্যাডারে পরীক্ষা দিয়ে উপরের নিয়মে আপনি ৪৫০ নম্বর পেয়ে শুধু জেনারেল ক্যাডার বা টেকনিক্যাল ক্যাডারে পাস করতে পারেন।
মজার ব্যাপার হলো, বোথ ক্যাডারে অ্যাপ্লাই করে টেকনিক্যাল পরীক্ষায় ফেল (সব পরীক্ষায় উপস্থিতি বাধ্যতামূলক) করলেও আপনার মোট নম্বর যদি ৫৫০ (১১০০ এর ৫০%) হয়, তাহলে আপনি বোথ ক্যাডারেই পাস করেছেন বলে বিবেচনা করা হবে।
প্রিলির মতো রিটেন পরীক্ষার জন্যও সিলেবাস আছে। পিএসসি ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নিবেন। বিসিএস আওয়াল গোল গ্রুপেও আছে। সিলেবাসেই বলা আছে কোন কোন টপিক থেকে প্রশ্ন করা হবে। তাছাড়া বিগত বছরের রিটেন পরীক্ষার প্রশ্নগুলো দেখলেও বিষয়টা ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
প্রিলি পরীক্ষায় কালো বলপয়েন্ট কলম ছাড়া অন্য কোন কলম ব্যবহার না করা গেলেও রিটেন পরীক্ষায় কালোর পাশাপাশি সবুজ ও নীল কালির কলম ব্যবহার করতে পারবেন। লাল কালির কলম ব্যবহার না করাই ভালো।
রিটেন পরীক্ষার জন্য কোচিং করতেই হবে এমন কোন কথা সিলেবাসের কোথাও লেখা নাই। আমার অভিজ্ঞতা বলে, কোচিং না করে ক্যাডার হওয়ার সংখ্যাই বেশি। তাছাড়া বিসিএসে এমন কিছু আসে না যা আপনি গাইড বই পড়েও বুঝবেন না। হ্যাঁ, মানলাম সবকিছু বুঝা যাবে না। সবকিছু বুঝারও তো দরকার নাই। তারপরেও যদি মনে হয় কোচিং না করলে আপনার মানসিক শান্তি আসবে না, তাহলে কোচিং করতে পারেন।

No comments:

Post a Comment