ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা - Jobs Study

Reliable and trusted site, most common questions for competitive exam-BCS Exam Preparation, Bank Exam Preparation, Govt Job Preparation, Private Jobs, NTRCA Exam Question Solution, University Admission Question, Non Cadre Exam Preparation, Primary School Teacher Exam Questions and Answer.

https://www.toprevenuegate.com/uy05hjthep?key=787ad49ab5c48d1e4b289e61ff5d6eae

Wednesday, May 8, 2019

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা



এই টপিকের উপর ১০ নম্বর বরাদ্দ থাকে। এখানে অল্প একটু সময় দিলে কমপক্ষে / নম্বর তোলা যায়। বিসিএস সিলেবাসের সাথে মিল রেখে এইচএসসি এসএসসি ভূগোল বোর্ড বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আজ আপনাদের কল্যাণার্থে দিলাম।



নবম দশম শ্রেণি ভূগোল পরিবেশ - দশম অধ্যায়ঃ বাংলাদেশের ভৌগোলিক রিবরণ



১। বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছেকর্কটক্রান্তি রেখা। 
২। বাংলাদেশ ২০৩৪উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬৩৮' উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত। 
৩। বাংলাদেশ ৮৮০১পূর্ব দ্রাঘিমা থেকে ৯২৪১পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত। [৩৬ ৩ম বিসিএস]
৪। ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই ভারতের সাথে ছিটমহল বিনিময়ের ফলে এদেশের সাথে ১০,০৪১ একর জমি যোগ হয়। 
৫। বাংলাদেশের টেরিটোরিয়াল বা রাজনৈতিক সমুদ্রসীম১২ নটিক্যাল মাইল। 
৬। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা বা Exclusive Economic Zone – ২০০ নটিক্যাল মাইল। [৩৭ তম বিসিএস]
৭। বাংলাদেশের উপকূলীয় ভূখণ্ড সমুদ্রে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্য্ন্ত যার ভৌগোলিক নাম মহীসোপান। 
৮। বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা৪৭১১ কি.মি। 
৯। বাংলাদেশ-ভারতের সীমারেখা৩৭১৫ কি.মি। (বিজিবি)’ তথ্য মতে, ৪১৫৬ কিলোমিটার। [৩৬ ৩ম বিসিএস]
১০। বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমারেখা২৮০ কি.মি.(বিজিবি)’ তথ্য মতে, ২৭১ কিলোমিটার।
১১। ভূপ্রকৃতির ভিক্তিতে বাংলাদেশকে টি ভাগে ভাগ করা যায়। 
১২। টারশিয়ারি যুগের পাহাড় সমূহকে ভাগে ভাগ করা যায়। 
১৩। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা৬১০ মিটার। 
১৪। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গতাজিনডং(বিজয়) উচ্চতা ১২৩১ মিটার। এটি বান্দরবনে অবস্থিত। 
১৫। বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ২৫০০০ বছরের পুরোনো। 
১৬। বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। মাটি ধূসর লাল। আয়তন ৯৩২০ বর্গ কি. মি.
১৭। বাংলাদেশের প্লাবন সমভূমির আয়তন, ২৪, ২৬৬ বর্গ কি. মি.
১৮। বাংলাদেশের প্লাবন সমভূমিকে -- টি ভাগে ভাগ করা যায়। 
১৯। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু জায়গাদিনাজপুর। উচ্চতা-৩৭.৫০ মিটার। 
২০। বাংলাদেশে নদীর সংখ্যা প্রায়৭০০ টি। 
২১। বাংলাদেশের নদীসমূহের মোট দৈর্ঘ্য হলো প্রায়২২,১৫৫ কিলোমিটার। 
২২। পদ্মা নদীর উৎপত্তি হয়েছেহিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে।
২৩। পদ্মা নদী যমুনা নদীরসাথে মিলিত হয়েছেদৌলতদিয়ার কছে। 
২৪। পদ্মা মেঘনা নদী মিলিত হয়েছেচাঁদপুরে। 
২৫। পদ্মার প্রধান শাখানদী হলোকুমার, মাথাভাঙ্গা, গড়াই, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি। 
২৬। পদ্মার উপনদী হলোপুনর্ভবা, নাগর, পাগলা, কুলিক, ট্যাংগন, মহানন্দা ইত্যাদি। 
২৭। ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছেহিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর হতে। 
২৮। ব্রহ্মপুত্র নদের শাখানদী হলোবংশী শীতালক্ষা। 
২৯। ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান উপনদী হলোতিস্তা ধরলা। 
৩০। ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়। 
৩১। যমুনার প্রধান উপনদী হলোকরতোয়া আত্রাই। 
৩২। যমুনার শাখানদী হলোধলেশ্বরী। আবার ধলেশ্বরী নদীর শাখানদী হলোবুড়িগঙ্গা।
৩৩। বাংলাদেশের বৃহত্তম, প্রশস্ততম দীর্ঘতম নদী মেঘনা। 
৩৪। মেঘনার উপনদী হলোমনু, বাউলাউ, তিতাস, গোমতী। 
৩৫। আসাসের বরাক নদী সুরমা কুশিয়ারা নামে বাংলাদেশের সিলেট জেলায় পরবেশ করেছে। 
৩৬। কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে। 
৩৭। কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী হলোকাসালং, হালদা বোয়ালখালী। 
৩৮। বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস -- এপ্রিল। 
৩৯। বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা২৬.০১সেলসিয়াস। গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটর।
৪০। ইষ্ণতম স্থান- লালপুর, নাটোর [৩৬ ৩ম বিসিএস]
৪১। শীতলতম স্থান- শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
৪২। সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত- লালাখাল, জৈন্তাপুর, সিলেট
৪৩। সর্বনিম্ম বৃষ্টিপাত- লালপুর, নাটোর
৪৪। মেঘনা নদীর দৈর্ঘ্য৩৩০ কি.মি। 
৪৫। বাংলাদেশের চিরযৌবনা নদীমেঘনা। 
নবম দশম শ্রেণি ভূগোল পরিবেশ - চতুর্দশ অধ্যায়ঃ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ
১। বাংলাদেশে দুর্যোগের কারণভৌগোলিক অবস্থান। 
২। পার্বত্য এলাকায় দেখা দেয়আকস্মিক বন্যা। 
৩। জোয়ার-ভাটা জনিত বন্যার পানির উচ্চতা- মিটার। 
৪। বাংলাদেশের নদীর সংখ্যা৭০০ টি। 
৫। ভারতে উৎপত্তি এরকম বাংলাদেশী নদী৫৪ টি। 
৬। প্রধান তিনটি নদী দ্বারা মোট অববাহিত এলাকা১৫,৫৪,০০০ বর্গ কি. মি। 
৭। বাংলাদেশের খরা প্রবণ এলাকা - উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল। 
৮। ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়স্থান অনুসারে। 
৯। এদেশে নদী ভাঙন দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত লোকের সংখ্যা. মিলিয়ন। 
১০। ভূমিকম্পের তীব্রত সম্পর্কে জানা যায়রিখটার স্কেল দিয়ে। 
১১। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলউত্তর-উত্তর পূর্বাঞ্চল।
১২। ভূমিকম্পের সাথেসুনামির আশংকা থাকে। 
১৩। . মাত্রার ভূমিকম্পের সাথেসুনামি হয়। 
১৪। সুনামির কারণসমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প। [৩৬ তম বিসিএস]
১৫। বাংলাদেশের দুর্যোগ প্রস্তুত কেন্দ্রের অপর নামবিডিপিসি।
১৬। স্পারসো আবহাওয়া অধিদপ্তরকে সাহায্য করেভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে। 
১৭। স্পারসো গবেষণা করেমহাকাশ। 
১৮। দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার মৌলিক উদ্দেশ্য টি। 
১৯। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন পাশ হয়২০১২ সালে। 
২০। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা জারি করা হয়১৯ জানুয়ারি ২০১৫ সালে। 
২১। নীতিমালা অনুযায়ী সমুদ্র বন্দরের জন্য সংকেত নির্ধারণ করা হয়১১টি। 
২২। নীতিমালা অনুযায়ী নদী বন্দরের জন্য সংকেত নির্ধারণ করা হয়৪টি


এইচ এস সি ভূগোল পত্র- চতুর্থ অধ্যায়ঃ বায়ুমণ্ডল বায়ু দূষণ



১। নাইট্রোজেন৭৮.০৮
২। অক্সিজেন২০.৯৪%
৩। আরগন.৯৪
৪। কার্বন-ডাই-অক্সাইড.০৩
৫। নিয়ন.০০১৮
৬। হিলিয়াম --.০০০৫%
৭। ওজন--.০০০৫
৮। মিথেন.০০০০২%
৯। হাইড্রোজেন.০০০০৫
১০। জেনন.০০০০৯%
১১ বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতার হ্রাস-বৃদ্ধির দিকে লক্ষ রেখ বায়ুমণ্ডলকে - পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-. ট্রপোস্ফিয়ার . স্ট্রাটোস্ফিয়ার . থার্মোস্ফিয়ার . এক্সোস্ফিয়ার . ম্যাগনেটোস্ফিয়ার। 
১৩। ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠের সংলগ্নে অবস্থিত। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কি. মি. পর্য্ন্ত ছড়িয়ে আছে এটি। 
১৪। ট্রপোস্ফিয়ার মানুষের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় স্থর। 
১৫। ট্রপোস্ফিয়ারের ঊর্ধ্ব সীমায় অবস্থিত সরুস্থরকে ট্রপোপজ বলে। এখান থেকে বিমান চলাচল করে। 
১৬। স্ট্রাটোস্ফিয়ার বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্থর। এটি ভূপৃষ্ঠ হতে উপরের দিকে ৮০ কি. মি. পর্য্ন্ত ছড়িয়ে আছে। 
১৭। থার্মোস্ফিয়ার বায়ুমণ্ডলের তৃতীয় স্থর। এটি ভূপৃষ্ঠ হতে উপরের দিকে ৬৪০ কি. মি. পর্য্ন্ত ছড়িয়ে আছে।
১৮। এক্সোস্ফিয়ার বায়ুমণ্ডলের চতুর্থ স্থর। এটি ভূপৃষ্ঠ হতে ৬৪০ কি. মি. এর ঊর্ধ্বে অর্থাৎ থার্মোস্ফিয়ারের উপরে। 
১৯। ম্যাগনেটোস্ফিয়ার বায়ুমণ্ডলের পঞ্চম স্থর। এই স্থরটি হলো চৌম্বকীয় স্থর। যা সর্বশেষে অবস্থিত। 
২০। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্গত সূক্ষ ধূলিকণাক্যান্সার রোগ সৃষ্ঠি করে। 
২১। কার্বন মনোক্সাইড উদ্ভিদের নাইট্রোজেন সংবন্ধন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটায়। 
২২। সালফার-ডাই-অক্সাইড বায়েুতে বেশি হলে গাছের পাতা শুকিয়ে যায়। 
২৩। নাইট্রোজেনের অক্সাইড ক্লোরোইড ফসল উৎপাদন হ্রাস করে।
২৪। যানবাহন থেকে নির্গত গ্যাসীয় পদার্থের মধ্যে কার্বন-ডাই-অক্সাইড প্রধান। 
২৫। সমুদ্র সমতল থেকে বায়ুমণ্ডলের ঊর্ধসীমা১০, ০০০ কি. মি.
২৬। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে -- ওজন গ্যাস। 
২৭। ওজোনস্থরকে ধ্বংস করেকার্বন-ডাই-অক্সাইড। 
২৮। গ্লোবল ওয়ার্মিং মুখ্য ভূমিকা পালন করে -- CO2 
২৯। সবচেয়ে কম দূষণ সৃষ্টিকারী জ্বালানি হলোপ্রাকৃতিক গ্যাস। 
৩০। বায়ুদূষণ প্রতিরোধে সরকারপরিবেশ সংরক্ষণ আইনতৈরি করেছেন -- ১৯৯৫ সালে। 
৩১। ওজোনস্থর বিনষ্টকারী পদার্থগুলোর নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাক্ষরিত প্রোটোকলধরিত্রী সম্মেলন-১৯৯২। 
৩২। Hazard বা আপদ বলতে কোনো এক আকস্মিক চরম প্রাকৃতিক সৃষ্ট ঘটনাকে বোঝায়। 
৩৩। বায়ুদূষণ অন্যতম প্রাকৃতিক Hazard বা আপদ যার ফলে বিশ্বময় উষ্ণায়নের সৃষ্টি হচ্ছে। 
৩৪।বায়ু দূষনের ফলে ক্যান্সার, নিউমোনিয়া, জন্ডিস সহ নানান রোগ হচ্ছে। 
৩৫। ডিজেল পোড়ালে তৈরি হয়সালফার ডাই অক্সাইড। 

৩৬। পেট্রোল, অকটেন সিএনজি পোড়ালে তৈরি হয়কার্বন ডাই অক্সাইড। 



এইচ এস সি ভূগোল পত্র- অষ্টম অধ্যায়ঃ সমুদ্রস্রোত জোয়ার-ভাটা



১। জোয়ার ভাটার স্থিতিকাল ঘণ্টা। 
২। কেনো একটি স্থানে প্রতিদিন জোয়ার ভাটা হয়দুইবার। 
৩। পৃথিবীর উপর সবচেয়ে বেশি আকর্ষণচাঁদের  
৪। সূর্যেরকিরণ সমুদ্র তলশে প্রবেশ করতে পারে২১০ মিটার। 
৫। চাঁদ সূর্যের মিলিত আকর্ষণে শক্তিশালী মুখ্য জোয়ার হয়অমাবস্যায়। 
৬। চাঁদ সূর্যের জোয়ার উৎপন্ন করার ক্ষমতার অনুপাতচাঁদ : সূর্য = ১১ : ৫। 
৭। চাঁদের আকর্ষণ শক্তির কার্যকারিতা সবচেয়ে বেশিজলভাগে। 
৮। অষ্টমী তিথিতে সংঘটিত হয়মরা কটাল। 
৯। প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয়চাঁদ পৃথিবীর আকর্ষণে। 
১০। একই স্থানে প্রতিদিন জোয়ার ভাটা হয় ঘণ্টা ১৩ মিনিট পর পর। 
১১। একটি মুখ্য জোয়ার এবং একটি গৌণ জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
১২। পৃথিবী নিজ কক্ষপথে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে১৬১০ কি. মি বেগে। 
১৩। চাঁদ সূর্য সমকোণে অবস্থান করে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে মী তিথিতে। 
১৪। সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা বড়দুই কোটি ষাট লক্ষ গুণ। 
এইচ এস সি ভূগোল পত্র- ষষ্ঠ অধ্যায়ঃ জলবায়ু অঞ্চল জলবায়ু পরিবর্তন
১। সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থানদশম। 
২। ৫০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকা প্লাবিত হবে যদিসমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ফুট বৃদ্ধি পায়। 
৩। গত ১০০ বছরে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে১০-২৫ সে. মি। 
৪। বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছেমানুষের। 
৫। বিশ্ব উষ্ণায়নে ক্লোরোফ্লেরো কার্বনের অবদান১৪% 
৬। গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলেবরফ গলে গেলে লাভবান হবেপৃথিবরি প্রায় অর্ধেক অংশ। 
৭। গ্রিন হাউজএকধরনের কাচের ঘর। 
৮। বাংলাদেশের জনগণের উপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারেসমুদ্রের জলস্থর বৃদ্ধি। 
৯। বিশ্বব্যাংক জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সাহায্য প্রদান করবে৩০%



এইচ এস সি ভূগোল য় পত্র- দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ জনসংখ্যা



১। সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা১৪ কেটি ৯৭ লক্ষ ৭২ হাজার ৩৬৪ জন। 
২। সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - .৩৭% 
৩। বাংলাদেশের আদমশুমারি পরিচালনা করেবাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। 
৪। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয়১৯৭৪ সালে। [৩৬ ৩ম বিসিএস]
৫। সাধারণত আদমশুমারি হয়১০ বছর পরপর। 
৬। প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয়১৯৭৬ সালে। 
৭। বিশ্বের মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশঅষ্টম দেশ। [৩৫ ৩ম বিসিএস]
৮। জন্মহার বেশি হয়গ্রামে। 
৯। বাংলাদেশিদের গড় আয়ু - ৭০. বছর। [৩৭ ৩ম বিসিএস]
১০। বাংলাদেশে জনসংখ্যা সমস্য সমাধানের উপায়অর্থনৈতিক উন্নয়ন। 
১১। বাংলাদেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব কমবরিশাল বিভাগে। 
১২। বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব১০১৫ জন। 
১৩। বাংলাদেশে নারী-পুরুষের অনুপাত১০০ : ১০০.৩। [৩৭ ৩ম বিসিএস]
১৪। সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী দেশের স্বাক্ষরতার হার৫১.% 
১৫। বাংলাদেশে পরনির্ভরশীলতার পরিমাণপ্রায় অর্ধেক। 
১৬। সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশিবরিশাল বিভাগে। (৫৬.%) [৩৭ ৩ম বিসিএস]
১৭। সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কমসিলেটে বিভাগে। (৪৫%)
১৮। সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশিসিলেট বিভাগে। 
১৯। সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কমবরিশাল বিভাগে। 
২০।সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে খানা/Household প্রতি জনসংখ্যা - . জন। [৩৭ ৩ম বিসিএস]
২১। জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশিঢাকায়। (প্রতি বর্গ কি. মিটারে ১৫২১ জন)
২২। বাংলাদেশে নগরায়নের হার২৩.৩০% 
২৩। সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে খানা / পরিবার সংখ্য, ২১, ৭৩, ৬৩০ টি। 



এইচ এস সি ভূগোল য় পত্র- চতুর্থ অধ্যায়ঃ কৃষি



১। ধান চাষের জন্য অধিক উপযোগীনদী উপত্যাকার পলিমাটি। 
২। ধান চাষের অনুকূল তাপমাত্রা১৬-৩০ ডিগ্রি সে. 
৩। আলুর একটি উন্নত জাতের নাম - ডায়মন্ড। [৩৭ ৩ম বিসিএস]
৪। চা উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রা হলো১৫.০৫ ডিগ্রি সে.
৫। বাংলাদেশের কৃষির স্বর্ণযুগ বলা হয়৮০ এর দশককে। 
৬। ধান উৎাদনে প্রথম জেলারংপুর। 
৭। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় - বোরো ধান। [৩৭ ৩ম বিসিএস]
৮। বাংলাদেশে একমাত্র সমতল ভূমিতে চা চাষ হয়পঞ্চগড়ে। 
৯। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) প্রতিষ্ঠিত হয়১৯৬১ সালে। 
১০। BADC এর পূর্ণরূপ Bangladesh Agricultural Development Corporation 
১১। প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান - BADC [৩৭ ৩ম বিসিএস]
১২। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) আত্মপ্রকাশ করে১৯৭৬ সালে। 
১৩। বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে টি। 
১৪।অগ্নিশ্বরউন্নত জাতের - কলা। [৩৬ ৩ম বিসিএস]
১৪। বন গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিতচট্টগ্রামে। ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
১৫। বর্তমানে বাংলাদেশে সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়তিনটি ঋতুকে। গ্রীষ্ম, বর্ষা শীতকাল। 
১৬। বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালমার্চ-মে।
১৫। বাংলাদেশে বর্ষাকালজুন-অক্টোবর। 
১৬। বাংলাদেশে শীতকালনভেম্বর ফেব্রুয়ারি। 
১৭। চা চাষের জন্য উপযুক্ত বৃষ্টিপাত হলো১৫০-২০০ সে. মি।
১৮। বাংলাদেশে চা বাগান রয়েছে১৬৬ টি। 
অষ্টম শ্রেণির সমাজ বোর্ড বই: অষ্টম অধ্যায়ঃ বাংলাদেশের দুর্যোগ
১। বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্থর ক্ষয়কারী গ্যাসের নামহাইড্রো ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন। 
২। গ্রিন হাউজ গ্যাস হলোবায়ুমণ্ডলের কার্বন-ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড সিএফসি। 
৩। প্রখর সূর্যের তাপে তাপমাত্রা অধিক পরিমাণ বেড়ে গিয়ে বনে যে অগ্নিকাণ্ড হয় তাকে বলেদাবানল। 
৪। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলের নিকটবর্তী স্তর হলোট্রপোস্পিয়ার। 
৬। বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চলউত্তর-পশ্চিমাঞ্চল। 
৫। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ট্রপোস্ফিয়ারের গড় উচ্চতা১২ কি মি। 
৭।সুনামিশব্দটিজাপানি। এর অর্থ সমুদ্রতীরের ঢেউ। 
৮। সিএফসি এর পূর্ণরূপ - ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন। আর এইচসিএফসি এর পূর্ণরূপ হাইড্রো ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন।
৯। ওজোনস্থর বায়ুমণ্ডলে ২০ কি মি পর্যন্ত বিস্তৃত। 
১০। দুর্যোগ মূলতদুই প্রকার। 
১১। পরিবেশ দূষণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণবন উজাড়করণ।
১২। জাপানে ভয়াবহ সুনামি হয়২০১১ সালে। 
১৩। বায়ুর মূল উপাদান হলোনাইট্রোজেন অক্সিজেন। 
১৪। নং বিপদ সংকেত শোনার পরে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে হব। 
১৫। পৃথিবীর ফুসফুস হলোসমুদ্র। 
১৬। দুর্যোগের ক্ষতি মূল্যায়ন করা হয়পুনর্বাসন পর্যায়ে। 
১৭। বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত২০৩ সেন্টিমিটার। 
১৮। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়সিলেটের লালখানে। 
১৯। সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়নাটোরের লালপুরে। 
২০। বাংলাদেশে কালবৈশাখির ঝড় হয়প্রাকমৌসুমী বায়ু ঋতুতে। 
২১। মানবসৃষ্ট গ্যাস - সিএফসি। 
২২। সুনামি একটি - প্রাকৃতিক দুর্যোগ
২৩। ওজোন স্তরের ব্যপ্তি - ২০ কি.মি। 
২৪। বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির প্রধান কারণ - বৃক্ষ নিধন। 
২৫। ভূমি ধসের প্রধান কারণ - প্রচুর বৃষ্টিপাত। 
২৬। বায়ুর মূল উপাদান - নাইট্রোজেন অক্সিজেন। 
২৭। লিফট ব্যবহার করা উচিত নয়ভূমিকম্পের সময়।
২৮। সমুদ্র তলদেশে প্রচণ্ড ভূমিকম্প অগ্ন্যুৎপাতের ফলে - সুনামির সৃষ্টি হয়।
২৯। সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়েA গেলে - উপকূলীয় অঞ্চল প্লাবিত হবে। 
৩০। ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুর স্তর - ট্রপোস্ফিয়ার।





No comments:

Post a Comment